চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে করোনা ভাইরাসের আপদকালীন সময়ে ব্যবহারের লক্ষ্যে ৪ টি আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছে। স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এসব আইসোলেশনগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।
জনসাধারনের জন্য উপজেলার আজিমনগরস্থ মাদ্রাসা-এ- গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী, সাংবাদিকদের জন্য নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,নাজিরহাট ঝংকার মোড়ের উত্তর পাশে রয়েল মাউথ আবাসিক হোটেলে ডাক্তার ও নার্স, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী এবং বাংলাদেশ পুলিশের জন্য নাজিরহাট হৃদয় আবাসিক হোটেল প্রস্তুতি করা হযেছে।
এই তথ্য নিশ্চিত করে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সায়েদুল আরেফিন বলেন, আগামী দু’একদিনের মধ্যে হোটেল (আইসোলেশন) সমূহ পরিদর্শন করবেন ফটিকছড়ি থেকে নির্বাচিত এমপি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে ১৪দলীয় জোট নেতা ত্বরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও ফটিকছড়ির সাংসদ আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডাক্তার, নার্স, পুলিশসহ সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারিদের জন্য আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইনের জন্য আলাদা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হোটেল ব্যবহারের কথা থাকলেও এখনও পর্যন্ত তেমন কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, সরকারের পদক্ষেপ থাকলেও বাস্তবায়নের কোন নাম গন্ধ নেই। তাই আমি মানীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চৌদ্দ দলের একজন নেতা ও ত্বরিকত ফেডারেশনের পক্ষ থেকে দাবি জানাচ্ছি সারা দেশে উপজেলা পর্যায়ে ডাক্তার, নার্স, পুলিশসহ সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারিদের জন্য আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইনের জন্য আলাদা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। একই ভাবে প্রত্যেক উপজেলায় সংশ্লিষ্টরা যেন এই ব্যবস্থা নেয় সেই দাবি জানান সাংসদ নজিবুল বশর।










