০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

চট্টগ্রামে ৯ ওয়ার্ডের ৫০০ পরিবারের মাঝে তৈয়বের ত্রাণ

চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুরের দাঁতমারা ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য জন্য ৫০ টি করে ৪৫০ টি ত্রাণের প্যাকেট এবং দাঁতমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানে আলমের ত্রাণ তহবিলে পঞ্চাশটিসহ মোট পাঁচশ প্যাকেট ত্রাণ হস্তান্তর করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মোঃ আবু তৈয়ব। গত রোববার উপজেলা চেয়ারম্যান নিজে গিয়ে এই ত্রাণ পৌঁছে দেন।

এদিকে দাঁতমারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের উদ্যেগে জরুরীভিত্তিতে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন দাঁতমারা কেন্দ্রীয় ত্রাণ সহায়তা কেন্দ্র নামে একটি গ্রুপ। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে গ্রুপটিতে কাজ করে যাচ্ছেন এক ঝাঁক তরুণ।এ ত্রাণ তহবিলে বিভিন্ন পেশার সরকারি কর্মকর্তা, প্রবাসী , প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক ও ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে অংশগ্রহণ করছেন।

এদিকে হটলাইনে কলের ভিত্তিতে যাচাই বাছাইয়ে মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১৭৮ টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক রঞ্জিত কুমার দে। এক্ষেত্রে গ্রুপের সদস্যরা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও সর্বোচ্চ সতর্কতা মেনে চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। গ্রুপটিতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন আহমেদ জলিল, কামরুজ্জামান কমল, রঞ্জিত কুমার দে, চান মিয়া, মোঃ ইউসুফ, নাসির সহ আরো অনেকে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশি চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: স্কোলিওসিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত।

চট্টগ্রামে ৯ ওয়ার্ডের ৫০০ পরিবারের মাঝে তৈয়বের ত্রাণ

প্রকাশিত : ১০:৪৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০

চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুরের দাঁতমারা ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য জন্য ৫০ টি করে ৪৫০ টি ত্রাণের প্যাকেট এবং দাঁতমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানে আলমের ত্রাণ তহবিলে পঞ্চাশটিসহ মোট পাঁচশ প্যাকেট ত্রাণ হস্তান্তর করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মোঃ আবু তৈয়ব। গত রোববার উপজেলা চেয়ারম্যান নিজে গিয়ে এই ত্রাণ পৌঁছে দেন।

এদিকে দাঁতমারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের উদ্যেগে জরুরীভিত্তিতে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন দাঁতমারা কেন্দ্রীয় ত্রাণ সহায়তা কেন্দ্র নামে একটি গ্রুপ। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে গ্রুপটিতে কাজ করে যাচ্ছেন এক ঝাঁক তরুণ।এ ত্রাণ তহবিলে বিভিন্ন পেশার সরকারি কর্মকর্তা, প্রবাসী , প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক ও ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে অংশগ্রহণ করছেন।

এদিকে হটলাইনে কলের ভিত্তিতে যাচাই বাছাইয়ে মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১৭৮ টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক রঞ্জিত কুমার দে। এক্ষেত্রে গ্রুপের সদস্যরা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও সর্বোচ্চ সতর্কতা মেনে চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। গ্রুপটিতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন আহমেদ জলিল, কামরুজ্জামান কমল, রঞ্জিত কুমার দে, চান মিয়া, মোঃ ইউসুফ, নাসির সহ আরো অনেকে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক