০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

করোনা বিস্তারে মারাত্মক ঝুঁকিতে ডিবিবিএল এর বারৈয়ারহাট বুথ!!

ফেনির লালপুল থেকে বারৈয়ারহাট, মিরসরাই থেকে করেরহাট পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ মানুষের মাঝে করোনা ভাইরাস বিস্তারে মারাত্মক ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ডাচবাংলা ব্যাংকের বারৈয়ারহাট ক্যাশ বুথ।
গতকাল বুধবার ( ২২ এপ্রিল) ১২ টায় উক্ত বুথ থেকে টাকা তুলতে গেলে এমন ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্য দেখা গেছে।
এতদঅঞ্চলে ডাচবাংলা ব্যাংকের কোন শাখা না থাকায় প্রতিদিন শতশত লোক টাকা উত্তোলনের জন্য সামাজিক দূরত্ব ভেঙ্গে ভীড় জমাচ্ছে এই বুথে। কোন প্রকার সতর্কতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই ছোট্ট একটা কক্ষে ৭০ থেক ৮০ জন লোক গাদাগাদি করে দাড়িয়ে টাকা উত্তোলন করছে। ব্যবহার হচ্ছেনা কোন হ্যান্ড সেনিটাইজার, বেশিরভাগ গ্রাহকের মুখে নেই ন্যুনতম মাস্ক। দরজায় নেই কোন সিকিউরিটি গার্ড একটু দূরে এক গ্রাহকের সাথে গল্পরত অবস্থায় গার্ডকে পাওয়া গেলেও তাঁর হাতে মাত্র চার আঙ্গুলে পাওয়া গেল ছেড়া একটি গ্লাভসের সামান্য অংশ। এব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে ওই সিকিউরিটি বলেন আমার হাত পরিষ্কার আছে চার আঙ্গুলে ছেড়া গ্লাভস শুধুমাত্র ওই সব গ্রাহকদের জন্য যারা নিজেরা টাকা তুলতে পারে না তাদের কে টাকা তুলে দেওয়ার জন্য।
বুথের দ্বায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সকালে একবার সকল ম্যাশিন গুলো স্যাভলন দিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে। বুথে গ্রাহকদের হাত জীবাণুমুক্ত করার জন্য অন্য কোন ব্যবস্থা নেই।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি বলেন এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ । আমি ম্যানেজারের সাথে কথা বলবো কিভাবে সচেতন করা যায়।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশি চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: স্কোলিওসিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত।

করোনা বিস্তারে মারাত্মক ঝুঁকিতে ডিবিবিএল এর বারৈয়ারহাট বুথ!!

প্রকাশিত : ১২:৪১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

ফেনির লালপুল থেকে বারৈয়ারহাট, মিরসরাই থেকে করেরহাট পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ মানুষের মাঝে করোনা ভাইরাস বিস্তারে মারাত্মক ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ডাচবাংলা ব্যাংকের বারৈয়ারহাট ক্যাশ বুথ।
গতকাল বুধবার ( ২২ এপ্রিল) ১২ টায় উক্ত বুথ থেকে টাকা তুলতে গেলে এমন ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্য দেখা গেছে।
এতদঅঞ্চলে ডাচবাংলা ব্যাংকের কোন শাখা না থাকায় প্রতিদিন শতশত লোক টাকা উত্তোলনের জন্য সামাজিক দূরত্ব ভেঙ্গে ভীড় জমাচ্ছে এই বুথে। কোন প্রকার সতর্কতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই ছোট্ট একটা কক্ষে ৭০ থেক ৮০ জন লোক গাদাগাদি করে দাড়িয়ে টাকা উত্তোলন করছে। ব্যবহার হচ্ছেনা কোন হ্যান্ড সেনিটাইজার, বেশিরভাগ গ্রাহকের মুখে নেই ন্যুনতম মাস্ক। দরজায় নেই কোন সিকিউরিটি গার্ড একটু দূরে এক গ্রাহকের সাথে গল্পরত অবস্থায় গার্ডকে পাওয়া গেলেও তাঁর হাতে মাত্র চার আঙ্গুলে পাওয়া গেল ছেড়া একটি গ্লাভসের সামান্য অংশ। এব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে ওই সিকিউরিটি বলেন আমার হাত পরিষ্কার আছে চার আঙ্গুলে ছেড়া গ্লাভস শুধুমাত্র ওই সব গ্রাহকদের জন্য যারা নিজেরা টাকা তুলতে পারে না তাদের কে টাকা তুলে দেওয়ার জন্য।
বুথের দ্বায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সকালে একবার সকল ম্যাশিন গুলো স্যাভলন দিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে। বুথে গ্রাহকদের হাত জীবাণুমুক্ত করার জন্য অন্য কোন ব্যবস্থা নেই।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি বলেন এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ । আমি ম্যানেজারের সাথে কথা বলবো কিভাবে সচেতন করা যায়।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক