০৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

শিলাবৃষ্টিতে কৃষকের ফসল নষ্ট ও ঘরের টিন ফুটো

নওগাঁর রাণীনগরে শিলা বৃষ্টিতে ফসল ও বাড়ি ঘরের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। কয়েকটি এলাকার জমির ধান, মৌসুমি বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া শিলা বর্ষণে ফুটো হয়ে গেছে ঘরের টিন। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাজার হাজার কৃষকসহ সাধারণ মানুষ।

জানা গেছে, বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে হঠাৎ করেই পশ্চিম আকাশে কালো মেঘ দেখা দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় বৃষ্টি। আর বৃষ্টির সাথে প্রবল বেগে শিল পড়তে থাকে। এতে উপজেলার বড়গাছা, আকনা-বাঁশবাড়িয়া, গিরিগ্রাম, শলিয়া, পানলা, ভাটকৈ, চামটা, আমিরপুর, লক্ষিকোলা, গুয়াতাসহ বেশ কিছু গ্রামের কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা-আধা পাকা ধান নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া শিলা বর্ষণে শত শত বাড়ি ঘরের টিন ফুটো ঝাজরা হয়ে যায়।

ভাটকৈ গ্রামের শাহাজান আলী জানান, প্রায় ২৮ বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছি। শিলা বর্ষণে সব ধান ঝরে পড়ে গেছে। বিঘা প্রতি হয়তো এক-দুই মণ ধান পেতে পারি।

চামটার মিলন, গুয়াতা গ্রামের নওশাদ, জলকৈ গ্রামের দুলাল চন্দ্র, আকনা গ্রামের মোসলেম উদ্দীন জানান, পাকা ধান সব নষ্ট হয়ে গেছে। তবে যে দুই-চার বিঘা জমির ধান কিছুটা কাঁচা রয়েছে সে সব জমিতে হয়তো কিছু ধান পাওয়া যাবে।

সিলমাদার গ্রামের রফিকুল ইসলাম, মোজাম্মেল হোসেন বলেন, শিলা বর্ষণে একদিকে মাঠের ধান নষ্ট হয়েছে অন্যদিকে বাড়ির ছাউনি টিন ফুটো হয়ে ঝাঁজড়া হয়ে গেছে। কৃষকরা বলছেন, এমনিতেই কয়েক বছর ধরে নানা কারণে ধান আবাদে লোকসান লেগেই আছে। এর মধ্যে শিলা বর্ষণে যে ক্ষতি হলো তা হয়তো আর পোষানো সম্ভব হবে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশি চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: স্কোলিওসিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত।

শিলাবৃষ্টিতে কৃষকের ফসল নষ্ট ও ঘরের টিন ফুটো

প্রকাশিত : ০৬:২২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

নওগাঁর রাণীনগরে শিলা বৃষ্টিতে ফসল ও বাড়ি ঘরের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। কয়েকটি এলাকার জমির ধান, মৌসুমি বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া শিলা বর্ষণে ফুটো হয়ে গেছে ঘরের টিন। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাজার হাজার কৃষকসহ সাধারণ মানুষ।

জানা গেছে, বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে হঠাৎ করেই পশ্চিম আকাশে কালো মেঘ দেখা দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় বৃষ্টি। আর বৃষ্টির সাথে প্রবল বেগে শিল পড়তে থাকে। এতে উপজেলার বড়গাছা, আকনা-বাঁশবাড়িয়া, গিরিগ্রাম, শলিয়া, পানলা, ভাটকৈ, চামটা, আমিরপুর, লক্ষিকোলা, গুয়াতাসহ বেশ কিছু গ্রামের কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা-আধা পাকা ধান নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া শিলা বর্ষণে শত শত বাড়ি ঘরের টিন ফুটো ঝাজরা হয়ে যায়।

ভাটকৈ গ্রামের শাহাজান আলী জানান, প্রায় ২৮ বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছি। শিলা বর্ষণে সব ধান ঝরে পড়ে গেছে। বিঘা প্রতি হয়তো এক-দুই মণ ধান পেতে পারি।

চামটার মিলন, গুয়াতা গ্রামের নওশাদ, জলকৈ গ্রামের দুলাল চন্দ্র, আকনা গ্রামের মোসলেম উদ্দীন জানান, পাকা ধান সব নষ্ট হয়ে গেছে। তবে যে দুই-চার বিঘা জমির ধান কিছুটা কাঁচা রয়েছে সে সব জমিতে হয়তো কিছু ধান পাওয়া যাবে।

সিলমাদার গ্রামের রফিকুল ইসলাম, মোজাম্মেল হোসেন বলেন, শিলা বর্ষণে একদিকে মাঠের ধান নষ্ট হয়েছে অন্যদিকে বাড়ির ছাউনি টিন ফুটো হয়ে ঝাঁজড়া হয়ে গেছে। কৃষকরা বলছেন, এমনিতেই কয়েক বছর ধরে নানা কারণে ধান আবাদে লোকসান লেগেই আছে। এর মধ্যে শিলা বর্ষণে যে ক্ষতি হলো তা হয়তো আর পোষানো সম্ভব হবে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর