০১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

চট্টগ্রামে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি নিজ থেকেও খাদ্য সহায়তা করছেন জানে আলম

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারনে কর্মহীন ও গৃহবন্দি হয়ে পড়া নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জানে আলম। তিনি গরীব ও অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি গৃহবন্দি হয়ে পড়া মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর জন্য চালু করছে হটলাইন সার্ভিস। হটলাইনে ফোন দিলে চেয়ারম্যান তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ত্রান সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে ঘরে ঘরে। সরকারী তহবিল থেকে বরাদ্দ ও বেসরকারি ভাবে পাওয়া ৭৮৪ টি পরিবারে মাঝে ১০ কেজি চাল,১ কেজি ডাল,২ আলু, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি পেয়াজ এবং ১ কেজি লবনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও সুরক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন। ইউনিয়নের ৭০ হাজার বসবাসকারী জনগণের মাঝে সরকারি বরাদ্দ পর্যাপ্ত না হওয়ায় নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তিন হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এবিষয়ে দাঁতমারা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জানে আলম বলেন,আমরা সরকারী ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭৮৪ টি পরিবারের পাশাপাশি ইতিমধ্যে আমার ব্যক্তিগত তহবিল হতে প্রায় ১৫০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছি। যার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ৩০০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরনের ইচ্ছা আছে। তিনি এ দুর্যোগ মুহুর্তে সকলকে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহবানও জানান।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

ট্যাগ :

ইরানে বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ১৪ আইআরজিসি সদস্য নিহত

চট্টগ্রামে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি নিজ থেকেও খাদ্য সহায়তা করছেন জানে আলম

প্রকাশিত : ১২:০৪:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২০

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারনে কর্মহীন ও গৃহবন্দি হয়ে পড়া নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জানে আলম। তিনি গরীব ও অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি গৃহবন্দি হয়ে পড়া মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর জন্য চালু করছে হটলাইন সার্ভিস। হটলাইনে ফোন দিলে চেয়ারম্যান তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ত্রান সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে ঘরে ঘরে। সরকারী তহবিল থেকে বরাদ্দ ও বেসরকারি ভাবে পাওয়া ৭৮৪ টি পরিবারে মাঝে ১০ কেজি চাল,১ কেজি ডাল,২ আলু, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি পেয়াজ এবং ১ কেজি লবনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও সুরক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন। ইউনিয়নের ৭০ হাজার বসবাসকারী জনগণের মাঝে সরকারি বরাদ্দ পর্যাপ্ত না হওয়ায় নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তিন হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এবিষয়ে দাঁতমারা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জানে আলম বলেন,আমরা সরকারী ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭৮৪ টি পরিবারের পাশাপাশি ইতিমধ্যে আমার ব্যক্তিগত তহবিল হতে প্রায় ১৫০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছি। যার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ৩০০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরনের ইচ্ছা আছে। তিনি এ দুর্যোগ মুহুর্তে সকলকে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহবানও জানান।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক