০১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

করোনায় আক্রান্ত টেকনাফ হাসপাতালের নারী চিকিৎসক

এবার করোনা আক্রান্ত হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফ হাসপাতালে দায়িত্বরত নাঈমা সিফাত (২৮) নামের এক নারী চিকিৎসক। তিনি টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিয়মিত মহিলা চিকিৎসক। তিনি জরুরি বিভাগ, আউটডোর, ভর্তিকৃত রোগীসহ হাসপাতালের সব জায়গায় রোগী দেখেন। এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল।
ডা. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, টেকনাফ হাসপাতালের প্রথম একজন নারী চিকিৎসকের করোনা শনাক্ত হয়। গত ২৫ এপ্রিল শনিবার টেকনাফ হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সসহ মোট ৫৩ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নমুনা সংগ্রহ করে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) ৫৩ জনের মধ্যে একজন নারী চিকিৎসকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ ফলাফল আসে। আরও বেশ কিছু রিপোর্ট এখনও অপেক্ষমান আছে। করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়া চিকিৎসকের চিকিৎসা কক্সবাজারে হবে নাকি ঢাকা বা অন্য কোথাও হবে, তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নিন। আপাতত তাকে আইসোলেটেড করে রাখা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
এ দিকে করোনা সন্দেহে টেকনাফ উপজেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট ২০৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে এক চিকিৎসকসহ ৪ জনের ফলাফল পজেটিভ এলেও বাকিদের সবার নেগেটিভ এসেছে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

ট্যাগ :

ইরানে বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ১৪ আইআরজিসি সদস্য নিহত

করোনায় আক্রান্ত টেকনাফ হাসপাতালের নারী চিকিৎসক

প্রকাশিত : ১২:০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২০

এবার করোনা আক্রান্ত হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফ হাসপাতালে দায়িত্বরত নাঈমা সিফাত (২৮) নামের এক নারী চিকিৎসক। তিনি টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিয়মিত মহিলা চিকিৎসক। তিনি জরুরি বিভাগ, আউটডোর, ভর্তিকৃত রোগীসহ হাসপাতালের সব জায়গায় রোগী দেখেন। এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল।
ডা. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, টেকনাফ হাসপাতালের প্রথম একজন নারী চিকিৎসকের করোনা শনাক্ত হয়। গত ২৫ এপ্রিল শনিবার টেকনাফ হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সসহ মোট ৫৩ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নমুনা সংগ্রহ করে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) ৫৩ জনের মধ্যে একজন নারী চিকিৎসকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ ফলাফল আসে। আরও বেশ কিছু রিপোর্ট এখনও অপেক্ষমান আছে। করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়া চিকিৎসকের চিকিৎসা কক্সবাজারে হবে নাকি ঢাকা বা অন্য কোথাও হবে, তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নিন। আপাতত তাকে আইসোলেটেড করে রাখা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
এ দিকে করোনা সন্দেহে টেকনাফ উপজেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট ২০৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে এক চিকিৎসকসহ ৪ জনের ফলাফল পজেটিভ এলেও বাকিদের সবার নেগেটিভ এসেছে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক