আজ ৬ মে বুধবার সীতাকুণ্ডে আরো ৩ করোনা রুগী সনাক্ত এক জন এনজি ও কর্মকর্তা(৪৫) করোনায় আক্রান্ত হন। তিনি সীতাকুন্ডে পৌরসদর এলাকায় ব্র্যাকের যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর উপজেলা ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
গত ২৯ এপ্রিল নমুনা দিয়ে আসলে আজ ৬ মে বিআইটিআইডি হাসপাতালের করোনা রোগী সনাক্তের রিপোর্টে তার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তার গ্রামের বাড়ি রংপুর বলে জানা যায়। তিনি পৌর সদরে আমিরাবাদ এলাকায় জনেক লিটনের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন, তার বাসার আশেপাশে ৩০ পরিবার ১২২জন ও তার অফিসে কর্মরত তার ছয় সহকর্মি সহ ১২৮ জনকে হোম কোয়ারান্টাইন থাকতে বলা হয়েছে।
আর একজনের নাম সেলিম হাওলাদার তিনি সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়নে পিএইচপি ফেক্টিরীতে ফোরম্যন হিসাবে কাজ করেন।কুমিরস্হ পিএইচপি ফেক্টুরী লকডাউন করা হয়েছে প্রতিষ্টানে কর্মরত প্রায় ১৫২ জন কর্মকর্তা/ কর্মচারীকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারান্টাইন থাকতে বলা হয়েছে।
আরো একজন মোঃ বেলাল পিতা মৃত সালে আহাম্মদ, তিনি সলিমপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ডাকোওয়ালার বড়ির বাসিন্দা, ফকির হাট বাজারের তরকারী ব্যবসায়ী,তিনি হযরত খাজা কালু শাহ মাজার সংলগ্ন মৃত তজু সওদাগরের ভাড়া বাসায় থাকেন।
আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা আরো ছয় পরিবারের ৩৮ জনকে হোম কোয়ারান্টাইন থাকতে বলা হয়েছে। (তিন আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থাকায় মোট ৩১৮জনকে হোম কোয়ারান্টাইন থাকতে হচ্ছে) এই বিষয়ে নিশ্চত করেছেন সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ নুর উদ্দিন রাশেদ।
উল্লেখ্য, এ নিয়ে সীতাকুণ্ডে মোট আক্রান্ত ৭জন জনে দাঁড়িয়েছে। তার মধ্য প্রথম আক্রান্ত সীতাকুণ্ড গোডাউন রোডের আনোয়ার হোসেন ও দ্বিতীয় আক্রান্ত মোঃ নসিম সীতাকুণ্ডের ফৌজদার হাট মৌলানা ইয়াকুবের বাড়ির বাসিন্দা সুস্হ হয়ে বাসায় ফিরেছেন। আর ৫ জন আক্রান্ত রুগী ফৌজদারহাটস্থ বিআইটিআইডিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
















