১০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লিবিয়ার গণকবর থেকে ১৯০ মরদেহ উদ্ধার

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৭:২৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২০
  • 145

আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার তারহুনা অঞ্চলে গেল বৃহস্পতিবার ৮টি ও শুক্রবার ৩টিসহ মোট ১১টি গণকবরের সন্ধান পায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী। বিভিন্ন গণকবর, হাসপাতাল মর্গ ও কূপ থেকে শনিবার পর্যন্ত ১৯০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

গেল ৫ জুন তারহুনার হাসপাতাল মর্গে নারী ও শিশুসহ ১০৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের অধিকাংশের শরীরেই নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আর একটি হাসপাতাল থেকে ৩৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ১৪ জনের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এ ছাড়া কোয়াসর বিন ঘাশির এলাকায় আরো ১৫টি মরদেহ পাওয়া যায়।

সেনাবাহিনীর মতে যাদের যুদ্ধবাজ হাফতার বাহিনী কিডন্যাপ করে এবং পরবর্তীতে হত্যা করে। ৬ জুন দক্ষিণ ত্রিপোলি থেকে আরো ১৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ৮ থেকে ১০ জুনের মধ্যে তারহুনার বিভিন্ন গণকবর ও কূপ থেকে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১১ জুন দেশটির সেনাবাহিনী গণকবর থেকে আরো ৩টি মরদেহ উদ্ধার করে।

রাজধানী ত্রিপোলি থেকে ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত তারহুনা অঞ্চলটি হাফতার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। তারা জাতিসংঘ সমর্থিত লিবিয়ার সরকারকে উচ্ছেদ করতে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। সম্প্রতি তাদের হটিয়ে ওই অঞ্চলটি দখলে নিয়েছে লিবিয়ার সেনাবাহিনী।

এরপর থেকেই বিভিন্ন স্থানে মৃতদেহ ও গণকবরের সন্ধান মিলতে শুরু করেছে। জাতিসংঘ সমর্থিত লিবিয়ার সরকারের দাবি অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত হাফতার বাহিনী বিভিন্ন সহিংসতায় কমপক্ষে ১ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। উল্লেখ্য, গেল ২৮ মে লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের মিজদাহ শহরে অপহরণকারীদের গুলিতে নিহত হয়েছিল ২৬ জন বাংলাদেশিসহ ৩০ জন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এসএম

জনপ্রিয়

সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

লিবিয়ার গণকবর থেকে ১৯০ মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৭:২৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২০

আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার তারহুনা অঞ্চলে গেল বৃহস্পতিবার ৮টি ও শুক্রবার ৩টিসহ মোট ১১টি গণকবরের সন্ধান পায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী। বিভিন্ন গণকবর, হাসপাতাল মর্গ ও কূপ থেকে শনিবার পর্যন্ত ১৯০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

গেল ৫ জুন তারহুনার হাসপাতাল মর্গে নারী ও শিশুসহ ১০৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের অধিকাংশের শরীরেই নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আর একটি হাসপাতাল থেকে ৩৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ১৪ জনের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এ ছাড়া কোয়াসর বিন ঘাশির এলাকায় আরো ১৫টি মরদেহ পাওয়া যায়।

সেনাবাহিনীর মতে যাদের যুদ্ধবাজ হাফতার বাহিনী কিডন্যাপ করে এবং পরবর্তীতে হত্যা করে। ৬ জুন দক্ষিণ ত্রিপোলি থেকে আরো ১৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ৮ থেকে ১০ জুনের মধ্যে তারহুনার বিভিন্ন গণকবর ও কূপ থেকে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১১ জুন দেশটির সেনাবাহিনী গণকবর থেকে আরো ৩টি মরদেহ উদ্ধার করে।

রাজধানী ত্রিপোলি থেকে ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত তারহুনা অঞ্চলটি হাফতার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। তারা জাতিসংঘ সমর্থিত লিবিয়ার সরকারকে উচ্ছেদ করতে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। সম্প্রতি তাদের হটিয়ে ওই অঞ্চলটি দখলে নিয়েছে লিবিয়ার সেনাবাহিনী।

এরপর থেকেই বিভিন্ন স্থানে মৃতদেহ ও গণকবরের সন্ধান মিলতে শুরু করেছে। জাতিসংঘ সমর্থিত লিবিয়ার সরকারের দাবি অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত হাফতার বাহিনী বিভিন্ন সহিংসতায় কমপক্ষে ১ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। উল্লেখ্য, গেল ২৮ মে লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের মিজদাহ শহরে অপহরণকারীদের গুলিতে নিহত হয়েছিল ২৬ জন বাংলাদেশিসহ ৩০ জন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এসএম