০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

জুবায়ের হত্যা: আপিলের রায় ২৩ জানুয়ারি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সে শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ২৩ জানুয়ারি মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নবম দিনের মতো শুনানি শেষে রায়ের এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সরোয়ার কাজল এবং তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির ডেথ রেফারেন্স ও দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ৬ আসামির করা আপিলের ওপর শুনানি শেষে রায়ের এ দিন ধার্য করা হয়।

২০১৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জুবায়ের আহমেদ হত্যা মামলার রায়ে পাঁচজনকে ফাঁসি ও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দু’জনকে খালাস দেয়া হয়।

ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ বি এম নিজামুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। আসামিরা সবাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

ছাত্রলীগ কর্মী জুবায়েরকে ২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি কুপিয়ে জখম করে তারই সংগঠনের একটি পক্ষ। পরে তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতেই তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই ৯ জানুয়ারি ভোরে মারা যান জুবায়ের।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার হামিদুর রহমান আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। জুবায়ের পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মদিনাবাগ নাবলাপাড়ার মো. তোফায়েল আহমেদের ছেলে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদাবাজদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দেবো: জামায়াত আমির

জুবায়ের হত্যা: আপিলের রায় ২৩ জানুয়ারি

প্রকাশিত : ০৪:৩৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৮

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সে শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ২৩ জানুয়ারি মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ের গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নবম দিনের মতো শুনানি শেষে রায়ের এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সরোয়ার কাজল এবং তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির ডেথ রেফারেন্স ও দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ৬ আসামির করা আপিলের ওপর শুনানি শেষে রায়ের এ দিন ধার্য করা হয়।

২০১৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জুবায়ের আহমেদ হত্যা মামলার রায়ে পাঁচজনকে ফাঁসি ও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দু’জনকে খালাস দেয়া হয়।

ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ বি এম নিজামুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। আসামিরা সবাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

ছাত্রলীগ কর্মী জুবায়েরকে ২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি কুপিয়ে জখম করে তারই সংগঠনের একটি পক্ষ। পরে তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতেই তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই ৯ জানুয়ারি ভোরে মারা যান জুবায়ের।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার হামিদুর রহমান আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। জুবায়ের পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মদিনাবাগ নাবলাপাড়ার মো. তোফায়েল আহমেদের ছেলে।