ঢাকা দুপুর ১২:০৩, মঙ্গলবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

প্রতিবন্ধী চালিত ইজিবাইক ও মিশুক জব্দ না করতে আইনি নোটিশ

প্রতিবন্ধী চালিত ইলেক্ট্রিকাল যানবাহন ইজিবাইক ও মিশুক জব্দ না করতে এবং এসব যান চলাচলের নীতিমালা প্রণয়নে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও সচিব, ঢাকার দুই মেয়র, আইজিপি, জেলা প্রশাসক, বিআরটিএ চেয়ারম্যানকে বৃহস্পতিবার এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

মো. সোহেল রানাসহ ৩৫০ প্রতিবন্ধীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জে আর খাঁন রবিন এ নোটিশটি পাঠিয়েছেন। নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলে জানান এ আইনজীবী।

আইনজীবী বলেন, প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা না হয়ে নিজেরাই সাবলম্বী হাওয়ার আপ্রান চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নোটিশদাতারা বিভিন্নভাবে টাকা ধার করে কিস্তির মাধ্যমে ‘ইজি বাইক ও মিশুক’ ক্রয় করে কিনে চালাচ্ছে। এ থেকে উপার্জিত আয় দিয়ে একদিকে তাদের সংসার চলছে, অন্যদিকে ঋণের টাকাও কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধের সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু সরকার ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ‘ইলেক্ট্রিকাল ভেহিকেল’ চলার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিনিয়ত ‘ইলেক্ট্রিকাল ভেহিকেল’ জব্দ করছে। তা ছাড়া প্রতিবন্ধীরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

আইনজীবী বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয় হলেও প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত প্রতিবন্ধী আইনের ১৬(১) বিধান পরিপন্থী। কারন যথযথ পূনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত কোন প্রতিবন্ধী তার কর্মে নিয়োজিত থাকার অধিকার থাকবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রতিবন্ধীদের পূনর্বাসন বা ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না করে তাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করছেন। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

আইনজীবী আরো বলেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সরকার ১৯৮৪ সালের মোটর ভেহিকেল রেজুলেশান অর্ডিন্যান্স ১৯৮৪-এর ধারা ২(ই)সংশোধন ক্রমে ইলেক্ট্রিকাল ভিহিকলেস এর সংজ্ঞা নিরুপণ করেন। উক্ত বিধান অনুযায়ী ‘ইজি বাইক ও মিশুক’ ইলেকট্রিকাল ভেহিকেলেস-এর অন্তর্ভুক্ত এবং জনসাধারণের জন্য নিরাপদ যানবাহনও বটে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

এ বিভাগের আরও সংবাদ