দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটলো। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) দু’পাড়ের ঐতিহাসিক মিলন প্রত্যক্ষ করতে পদ্মার পাড়ে ভিড় করেন হাজারো মানুষ। কিন্তু করোনার কারণে বাড়তি সতর্কতা ও নিরাপত্তা নিয়েছেন প্রকল্প–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পদ্মা সেতুর পুরো দৃশ্যমান হওয়ার পর থেকেই উপস্থিত দর্শনার্থীদের মধ্যে বিশেষ উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। ইতিহাসের অংশ হওয়ার জন্য অনেকেই আসছেন পদ্মায়। পদ্মার দু’পাড়ের এ সেতু বন্ধনকে ঘিরে পদ্মা পাড়ের মানুষগুলো আনন্দে উদ্বেলিত। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের মধ্যে ভালো লাগা কাজ করছে। কারণ এই সেতু চালু হলে এই অঞ্চলের মানুষসহ গোটা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী অধ্যায় রচিত হবে। জাতীয় অর্থনীতির চাকায় গতি বাড়বে।
বৃহস্পতিবার বিকাল থেকেই দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসব আর আমেজ দেখা দিযেছে, তারা হাতে বেলুন আর নানা রঙ্গের পোষাক পরে এখানে উপস্থিত হয়েছেন। সন্ধায় রাজনৈতিক নেতা কর্মী ও জনতা বেলুন উড়ানো মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে আনন্দ উল্লাস করেছে শরীয়তপুরের পদ্মা সেতু জাজিরা প্রান্তের পদ্মা সেতুর এক্সপ্রেস ওয়ে জিরো পয়েন্টে।
শরীয়তপুর-১আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু রঙ আয়োজনে স্থানীয় মহব্বত খান ও বাবুল আকনের সার্বিক তত্বাবধানে এই মোমবাতি প্রজ্জলন আতশবাজি ও বেলুন উড়ানো উৎসব আয়োজিত হয়েছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে ৪২ টি পিলারের উপরে ৪১ টি স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতু সম্পূর্ণ দৃশ্যমান হওয়ায় তাদের এই উল্লাস। শরীয়তপুর বাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে পদ্মা সেতু বড় ভূমিকা রাখবে এমনটি আশা করছেন আনন্দে উল্লসিত সর্বস্তরের মানুষ।
আনন্দ উল্লাসে যোগ দেন শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা। স্বপ্ন বাস্তবায়ন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান উপস্থিত সকলে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর























