০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

২ বছরে ৫ লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন

শেখ হাসিনার চতুর্থ মেয়াদের সরকারের দুই বছরে ৫ লাখ ১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেক। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ৪০৫টি প্রকল্পের বিপরীতে এই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দের অনুমোদন দিয়েছে একনেক। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা একনেকের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ২০১৯ সালের ৬ জানুয়ারি চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করে। আজ বুধবার এই সরকারের দুই বছর পূর্ণ হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে উন্নয়ন বরাদ্দে ৫ লাখ কোটি টাকার মাইলফলক অর্জন করেছে একনেক। গতকাল মঙ্গলবার ৯ হাজার ৫৬৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার নতুন ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ার মাধ্যমে এই মাইলফলক অর্জিত হয়। শেখ হাসিনার দ্বিতীয় ও তৃতীয় সরকারের আমলে (২০০৯-২০১৮) ১৮ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছিল একনেক।

গতকাল একনেকে যেসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয় সেগুলোর মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের তিন হাজার ৮৬৭ কোটি ৫৮ লাখ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন এবং পাঁচ হাজার ৭০১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বিদেশি অনুদান থেকে আসবে।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি’র (একনেক) চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শেরেবাংলা নগরে এনইসি’র সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক-এর সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সভায় সংযুক্ত হন।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স এন্ড প্যানডেমিক প্রিপারেডনেস (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প, তথ্য মন্ত্রণালয়ের ‘জেলা পর্যায়ে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ‘সুন্দরবন সুরক্ষা’ প্রকল্প, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগকালে অনুসন্ধান, উদ্ধার অভিযান পরিচালনা এবং জরুরি যোগাযোগের জন্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহ (তৃতীয় পর্যায়)’ প্রকল্প, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ‘জেলা মহাসড়কগুলোর যথাযথ মান ও প্রশস্ততা উন্নীতকরণ-সিলেট জোন (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ‘চিটাগাং সিটি আউটার রিং রোড (তৃতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্প।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

রাজারবাগে ২৮তম বিসিএস পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত

২ বছরে ৫ লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশিত : ০৪:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ জানুয়ারী ২০২১

শেখ হাসিনার চতুর্থ মেয়াদের সরকারের দুই বছরে ৫ লাখ ১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেক। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ৪০৫টি প্রকল্পের বিপরীতে এই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দের অনুমোদন দিয়েছে একনেক। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা একনেকের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ২০১৯ সালের ৬ জানুয়ারি চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করে। আজ বুধবার এই সরকারের দুই বছর পূর্ণ হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে উন্নয়ন বরাদ্দে ৫ লাখ কোটি টাকার মাইলফলক অর্জন করেছে একনেক। গতকাল মঙ্গলবার ৯ হাজার ৫৬৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার নতুন ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ার মাধ্যমে এই মাইলফলক অর্জিত হয়। শেখ হাসিনার দ্বিতীয় ও তৃতীয় সরকারের আমলে (২০০৯-২০১৮) ১৮ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছিল একনেক।

গতকাল একনেকে যেসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয় সেগুলোর মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের তিন হাজার ৮৬৭ কোটি ৫৮ লাখ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন এবং পাঁচ হাজার ৭০১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বিদেশি অনুদান থেকে আসবে।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি’র (একনেক) চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শেরেবাংলা নগরে এনইসি’র সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক-এর সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সভায় সংযুক্ত হন।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স এন্ড প্যানডেমিক প্রিপারেডনেস (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প, তথ্য মন্ত্রণালয়ের ‘জেলা পর্যায়ে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ‘সুন্দরবন সুরক্ষা’ প্রকল্প, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগকালে অনুসন্ধান, উদ্ধার অভিযান পরিচালনা এবং জরুরি যোগাযোগের জন্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহ (তৃতীয় পর্যায়)’ প্রকল্প, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ‘জেলা মহাসড়কগুলোর যথাযথ মান ও প্রশস্ততা উন্নীতকরণ-সিলেট জোন (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ‘চিটাগাং সিটি আউটার রিং রোড (তৃতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্প।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর