নিষেধাজ্ঞার কারণে এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর বুধবার থেকে বাংলাদেশ বিমানের সৌদি আরবের নিয়মিত ফ্লাইট চালু হয়েছে। এদিন রিয়াদ থেকে বিমানের একটি ফ্লাইটে ৪১৯ যাত্রী ঢাকায় আসেন।
করোনার নতুন ধরনের সংক্রমণরোধে গত ২০ ডিসেম্বর সকল আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিত করে সৌদি আরব। পরে তা বাড়িয়ে ৪ জানুয়ারি করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বুধবার দুপুর আড়াইটায় বোয়িং ৭৭৭-৪০০ ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, এক সপ্তাহ বন্ধের কারণে যাত্রীদের চাপ ছিল। এর ওপর সৌদি আরবের নতুন ঘোষণায় দেশটিতে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে ফ্লাইটগুলো খালি গেলেও যাত্রী পূর্ণ করে ফিরতে পারবে।
ফিরতে আগ্রহীদের দ্রুত দূতাবাসে আবেদনের অনুরোধ জানিয়ে গত মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সৌদি আরবে যারা অবৈধ হয়ে গিয়েছেন, দেশটির সরকার স্পেশাল এক্সিট প্রোগ্রামের (এসইপি) আওতায় নিজ দেশে ফেরার সুযোগ দিয়েছে। সৌদি লেবার অফিসের সহযোগিতায় রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস ও জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল সুষ্ঠুভাবে এ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় এ সুবিধা বন্ধ করে দিতে পারে। এজন্য দ্রুত আবেদন করতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমকে জানান, সৌদি আরব থেকে অবৈধ অভিবাসীদের ফেরার সুযোগ তৈরি হওয়ায় বিমান করোনাকালের ঘাটতি অনেকটাই পুষিয়ে নিতে পারবে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীর সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এ সংখ্যা লাখের কাছাকাছি হবে। তারা স্বেচ্ছায় ফিরলে বিমান বাণিজ্যিক সুবিধা পাবে, এটাই স্বাভাবিক।
এ বিষয়ে বিমানের মহাব্যবস্থাপক আজিজুল ইসলাম বলেন, এখন সৌদি আরব অভিমুখী ফ্লাইট খালি গেলেও ফিরছে পূর্ণ যাত্রী নিয়ে। তবে স্বাস্থ্যবিধির বাধ্যবাধকতার জন্য দুটি আসন খালি রাখতে হচ্ছে।



















