১২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

জান্তা সরকার প্রত্যাখ্যান, মিয়ানমারের ৩০০ আইনপ্রণেতার বিবৃতি

গণতান্ত্রিক সরকারকে অভুত্থ্যানের মাধ্যমে ক্ষমতা নেওয়া জান্তা সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছেন মিয়ানমারের ৩০০ আইনপ্রণেতা। শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে সামরিক সরকারকে মেনে নিতে অস্বীকার করেন তারা। 

এ বিষয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি তুর্কি গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির খবর বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আইনপ্রণেতারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে বলে প্রতিজ্ঞা করেছেন।

দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগ অচল করে দেওয়ায় আইনপ্রণেতাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকার অং সান সু চিকে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা কেড়ে নেয় দেশটির সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে সু চি, তার ঘনিষ্ঠজনসহ অনেক আইনপ্রণেতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। জরুরি অবস্থা জারি করে আগামী এক বছর ক্ষমতায় থাকার ঘোষণা দিয়েছে জান্তা সরকার।

এরপরই ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামসহ সবশেষ ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে সামরিক সরকার। এতে বিশ্ব থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে মিয়ানমার। সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে রাজধানী নেইপিদো, ইয়াঙ্গুনসহ অনেক জায়গায় বিক্ষোভ করেছে চিকিৎসক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।

অরাজকতা মোকাবিলায় রাজপথে কঠোর অবস্থানে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এদিকে সামরিক সরকারকে গণতন্ত্রের ওপর শ্রদ্ধা দেখিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়তে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। সামরিক অভ্যুত্থানকে পশ্চিমা দেশগুলো ইতিমধ্যে ‘গণতন্ত্রের ওপর হামলা’ উল্লেখ করে শুরু নিন্দা জানিয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

জান্তা সরকার প্রত্যাখ্যান, মিয়ানমারের ৩০০ আইনপ্রণেতার বিবৃতি

প্রকাশিত : ০৯:৫১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

গণতান্ত্রিক সরকারকে অভুত্থ্যানের মাধ্যমে ক্ষমতা নেওয়া জান্তা সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছেন মিয়ানমারের ৩০০ আইনপ্রণেতা। শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে সামরিক সরকারকে মেনে নিতে অস্বীকার করেন তারা। 

এ বিষয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি তুর্কি গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির খবর বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আইনপ্রণেতারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে বলে প্রতিজ্ঞা করেছেন।

দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগ অচল করে দেওয়ায় আইনপ্রণেতাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকার অং সান সু চিকে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা কেড়ে নেয় দেশটির সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে সু চি, তার ঘনিষ্ঠজনসহ অনেক আইনপ্রণেতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। জরুরি অবস্থা জারি করে আগামী এক বছর ক্ষমতায় থাকার ঘোষণা দিয়েছে জান্তা সরকার।

এরপরই ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামসহ সবশেষ ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে সামরিক সরকার। এতে বিশ্ব থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে মিয়ানমার। সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে রাজধানী নেইপিদো, ইয়াঙ্গুনসহ অনেক জায়গায় বিক্ষোভ করেছে চিকিৎসক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।

অরাজকতা মোকাবিলায় রাজপথে কঠোর অবস্থানে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এদিকে সামরিক সরকারকে গণতন্ত্রের ওপর শ্রদ্ধা দেখিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়তে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। সামরিক অভ্যুত্থানকে পশ্চিমা দেশগুলো ইতিমধ্যে ‘গণতন্ত্রের ওপর হামলা’ উল্লেখ করে শুরু নিন্দা জানিয়েছে।