১০:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

জবির নতুন একাডেমিক ভবনের কাজে ধীর গতি

রাজধানীর পুরান ঢাকায় অবস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়(জবি)পাঠশালা থেকে একের পর এক রুপান্তরের পর সর্বশেষ রুপ নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। অবকাঠামো সহ শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুমের সংকটের সমাধান করতে কাজ শুরু হয় নতুন একাডেমি ভবনের।কিন্তু প্রশাসনের গাফিলতিতে চতুর্থ মেয়াদেও শেষ হয়নি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মানাধীন নতুন একাডেমিক ভবনের কাজ। পর পর চার বার মেয়াদ বাড়িয়েও নতুন এই ভবনের কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিন বার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২০১৪ সালে চতুর্থ মেয়াদে প্রকল্পের কাজ শুরু করে ৩০% কাজ বাকী থাকতেই ২০২০ সালে ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হয়ে যায় । ২০২০ সালের ডিসেম্বরে ৫ম মেয়াদ বাড়িয়ে কাজ শুরু করা হয়, ৫ম মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত। নির্মিতব্য ১৩ তলা এই ভবনের ৯ তলা পর্যন্ত কাজ শেষ। বাকী চার তলার কাজ শেষ হতে হবে আগামী মার্চ মাসে বলে জানান সংশ্লিষ্ট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

জানা যায়, ২০১৪ সালের শেষের দিকে তৃতীয় মেয়াদে টেন্ডার আহ্বান করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তখন কাজটি পায় দ্য বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারর্স অ্যান্ড দেশ উন্নয়ন লি. (জেপি) নামের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। তাদের ওয়ার্ক পারমিট ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে সময় লেগে যায় ৬ মাসের মতো। প্রতিষ্ঠানটি কাজ করতে গিয়ে ভবনের ভিত্তিতে দুর্বলতার বিষয়টি টের পায়। তাদের কাজ করার সময় নতুন ভবনের বেসেইমেন্টে একটি পিলারে ফাটল দেখা দেয় । তখন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি বুয়েটের অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের দ্বারস্থ হলে তারা ভবনের ভিত্তি ও মাটি পরীক্ষা করে ভবনের ভিত্তির দুর্বলতা খুঁজে পান।

তখন তারা ১৩ তলা পর্যন্ত সম্প্রসারণের জন্য প্রশাসনের কাছে সিদ্ধান্ত জানান।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ২০১১ সালে ১ জুলাই মাসে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে উন্নয়ন প্রকল্প চালু হয়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে এ প্রকল্পের মেয়াদ তিনবার বৃদ্ধি করা হয়। ২০১৪ সালে এসে তৃতীয় মেয়াদে কাজ শুরু করে দ্য বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারর্স অ্যান্ড দেশ উন্নয়ন লি. (জেপি) নামের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নতুন এই ভবনের ৯ তলা পর্যন্ত কাজ সম্পূর্ণ এবং বিভাগ গুলোর কার্যক্রম চলছে । বাকী তলা গুলোতে এখনো কাজ চলছে ধীরগতিতে। ১০, ১১, ১২, ১৩ তলায় টাইলস লাগানো, রং করা, থাই গ্লাস লাগানো সহ নানাবিধ কাজ বাকী রয়েছে।

এ বিষয়ে দ্য বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারর্স অ্যান্ড দেশ উন্নয়ন লি. (জেপি) নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের চিফ ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার বলেন, প্রথম দিকে ভবনের কিছু ত্রুটি ও জটিলতা থাকার কারনে কাজ দীর্ঘায়িত হয়েছে। আমরা এই প্রকল্প পাই ২০১৪ সালে কিন্ত এর মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২০ এর ডিসেম্বরে আবার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে আমি আশা করি চলতি বছরের মার্চ মাসেই এই একাডেমিক ভবনের কাজ আমরা সম্পূর্ণ করতে পারব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে আমি খোজ খবর রাখিনা। এটা পরিকল্পনা, উন্নয়ন দপ্তর জানে।

নতুম একাডেমিক ভবনের সার্বিক বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনার, উন্নয়ন, ও ওয়ার্কাস দপ্তরের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সাহাদাত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত জানিনা।আমরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে টাকা দিয়ে দিছে এখন তারা জানে। তুমি এ বিষয়ে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ারদের কে কল দাও তারা এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন,আমি এখানে নতুন পূর্বের কাহিনী আমি ওতো জানিনা। আর চতুর্থ মেয়াদের লেটার এখনও আমার হাতে আসে নি। তবে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানা যায়, ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর ২০ তলাবিশিষ্ট নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণে সরকার ৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। ওই বছর প্রথম দফায় ভবনটির ৭ তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজের জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু ভবনটির প্রথম দফার এ নির্মাণ কাজ নিয়েও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ‘দ্য বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভবনটির নির্মাণ কাজ করেন। কিন্তু নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করায় কয়েক বছরের মধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দেয়।

তখন বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় ১৩ তলা পর্যন্ত এ ভবনের সম্প্রসারণ করা যাবে।

সে অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তখন টেন্ডার আহ্বান করে। ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই নির্মাণ কাজের জন্য আটদফা টেন্ডার আহ্বান করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশই নেয়নি। আবার ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে তারা ১৯-২৯ শতাংশ অধিক মূল্যে দরপত্র দাখিল করায় তা অনুমোদন হয়নি। পরে ২০১৪ সালের শেষের দিকে কাজটি পায় কৌশলী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দ্যা বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারর্স অ্যান্ড দেশ উন্নয়ন লি. (জেপি) নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠান টানা ২ মেয়াদে ৬ বছর থেকে কাজ করেও এখনো কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

জবির নতুন একাডেমিক ভবনের কাজে ধীর গতি

প্রকাশিত : ০৫:৪০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

রাজধানীর পুরান ঢাকায় অবস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়(জবি)পাঠশালা থেকে একের পর এক রুপান্তরের পর সর্বশেষ রুপ নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। অবকাঠামো সহ শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুমের সংকটের সমাধান করতে কাজ শুরু হয় নতুন একাডেমি ভবনের।কিন্তু প্রশাসনের গাফিলতিতে চতুর্থ মেয়াদেও শেষ হয়নি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মানাধীন নতুন একাডেমিক ভবনের কাজ। পর পর চার বার মেয়াদ বাড়িয়েও নতুন এই ভবনের কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিন বার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২০১৪ সালে চতুর্থ মেয়াদে প্রকল্পের কাজ শুরু করে ৩০% কাজ বাকী থাকতেই ২০২০ সালে ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হয়ে যায় । ২০২০ সালের ডিসেম্বরে ৫ম মেয়াদ বাড়িয়ে কাজ শুরু করা হয়, ৫ম মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত। নির্মিতব্য ১৩ তলা এই ভবনের ৯ তলা পর্যন্ত কাজ শেষ। বাকী চার তলার কাজ শেষ হতে হবে আগামী মার্চ মাসে বলে জানান সংশ্লিষ্ট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

জানা যায়, ২০১৪ সালের শেষের দিকে তৃতীয় মেয়াদে টেন্ডার আহ্বান করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তখন কাজটি পায় দ্য বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারর্স অ্যান্ড দেশ উন্নয়ন লি. (জেপি) নামের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। তাদের ওয়ার্ক পারমিট ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে সময় লেগে যায় ৬ মাসের মতো। প্রতিষ্ঠানটি কাজ করতে গিয়ে ভবনের ভিত্তিতে দুর্বলতার বিষয়টি টের পায়। তাদের কাজ করার সময় নতুন ভবনের বেসেইমেন্টে একটি পিলারে ফাটল দেখা দেয় । তখন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি বুয়েটের অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের দ্বারস্থ হলে তারা ভবনের ভিত্তি ও মাটি পরীক্ষা করে ভবনের ভিত্তির দুর্বলতা খুঁজে পান।

তখন তারা ১৩ তলা পর্যন্ত সম্প্রসারণের জন্য প্রশাসনের কাছে সিদ্ধান্ত জানান।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ২০১১ সালে ১ জুলাই মাসে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে উন্নয়ন প্রকল্প চালু হয়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে এ প্রকল্পের মেয়াদ তিনবার বৃদ্ধি করা হয়। ২০১৪ সালে এসে তৃতীয় মেয়াদে কাজ শুরু করে দ্য বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারর্স অ্যান্ড দেশ উন্নয়ন লি. (জেপি) নামের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নতুন এই ভবনের ৯ তলা পর্যন্ত কাজ সম্পূর্ণ এবং বিভাগ গুলোর কার্যক্রম চলছে । বাকী তলা গুলোতে এখনো কাজ চলছে ধীরগতিতে। ১০, ১১, ১২, ১৩ তলায় টাইলস লাগানো, রং করা, থাই গ্লাস লাগানো সহ নানাবিধ কাজ বাকী রয়েছে।

এ বিষয়ে দ্য বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারর্স অ্যান্ড দেশ উন্নয়ন লি. (জেপি) নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের চিফ ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার বলেন, প্রথম দিকে ভবনের কিছু ত্রুটি ও জটিলতা থাকার কারনে কাজ দীর্ঘায়িত হয়েছে। আমরা এই প্রকল্প পাই ২০১৪ সালে কিন্ত এর মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২০ এর ডিসেম্বরে আবার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে আমি আশা করি চলতি বছরের মার্চ মাসেই এই একাডেমিক ভবনের কাজ আমরা সম্পূর্ণ করতে পারব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে আমি খোজ খবর রাখিনা। এটা পরিকল্পনা, উন্নয়ন দপ্তর জানে।

নতুম একাডেমিক ভবনের সার্বিক বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনার, উন্নয়ন, ও ওয়ার্কাস দপ্তরের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সাহাদাত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত জানিনা।আমরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে টাকা দিয়ে দিছে এখন তারা জানে। তুমি এ বিষয়ে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ারদের কে কল দাও তারা এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন,আমি এখানে নতুন পূর্বের কাহিনী আমি ওতো জানিনা। আর চতুর্থ মেয়াদের লেটার এখনও আমার হাতে আসে নি। তবে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানা যায়, ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর ২০ তলাবিশিষ্ট নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণে সরকার ৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। ওই বছর প্রথম দফায় ভবনটির ৭ তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজের জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু ভবনটির প্রথম দফার এ নির্মাণ কাজ নিয়েও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ‘দ্য বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভবনটির নির্মাণ কাজ করেন। কিন্তু নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করায় কয়েক বছরের মধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দেয়।

তখন বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় ১৩ তলা পর্যন্ত এ ভবনের সম্প্রসারণ করা যাবে।

সে অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তখন টেন্ডার আহ্বান করে। ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই নির্মাণ কাজের জন্য আটদফা টেন্ডার আহ্বান করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশই নেয়নি। আবার ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে তারা ১৯-২৯ শতাংশ অধিক মূল্যে দরপত্র দাখিল করায় তা অনুমোদন হয়নি। পরে ২০১৪ সালের শেষের দিকে কাজটি পায় কৌশলী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দ্যা বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারর্স অ্যান্ড দেশ উন্নয়ন লি. (জেপি) নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠান টানা ২ মেয়াদে ৬ বছর থেকে কাজ করেও এখনো কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর