০৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেড় লাখ টন চাল আসছে ভারত থেকে

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সরকারি সংগ্রহ বাড়াতে ভারত থেকে সরকার থেকে সরকার (জি টু জি) পর্যায়ে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এতে ব্যয় হবে ৫৫৪ কোটি ৫৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।

গত ১০ মার্চ অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জি টু জি ভিত্তিতে ভারত, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেয়।

সূত্র জানায়, উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনসাধারণের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। কৃষকদের খাদ্য উদপাদনে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতেও সচেষ্ট সরকার। এ লক্ষ্যে প্রতি বোরো ও আমন মৌসুমে সরকারিভাবে ধান-চাল কেনা হয়ে থাকে। কিন্তু গত বোরো (২০২০) মৌসুমে সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৫৪.৪৯ শতাংশ অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

অন্যদিকে, চলতি আমন সংগ্রহ মৌসুমে ২.০৭ লাখ মেট্রিক টন ধান এবং ৬.৫০ লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চলতি মার্চ মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত মাত্র ৭০ হাজার ৮৪৮ মেট্রিক টন চাল ও ১১ হাজার ৯৯৬ মেট্রিক টন ধান সংগৃহীত হয়েছে। তাছাড়া, ঘন ঘন বন্যা, অতি বৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় আমফান ও করোনা মহামারির কারণে উৎপাদন কিছুটা ব্যাহত হওয়ায় বাজারে ধান ও চালের দাম বাড়ছে।

এ অবস্থায় সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা সচল রাখাসহ নিরাপত্তা মজুত সুসংসহত করার স্বার্থে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের পাশাপাশি জি টু জি পদ্ধতিতে চাল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ মার্চ তারিখে দৈনিক খাদ্যশস্য পরিস্থিতি প্রতিবেদন অনুসারে ৫ লাখ ২৮ হাজার মেট্রিক টন চাল ও ৯৮ হাজার মেট্রিক টন গম মজুত আছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

 

ট্যাগ :

টাঙ্গাইলে জামায়াতে ইসলামীর আমীরের আগমন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন 

দেড় লাখ টন চাল আসছে ভারত থেকে

প্রকাশিত : ০৭:০৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মার্চ ২০২১

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সরকারি সংগ্রহ বাড়াতে ভারত থেকে সরকার থেকে সরকার (জি টু জি) পর্যায়ে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এতে ব্যয় হবে ৫৫৪ কোটি ৫৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।

গত ১০ মার্চ অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জি টু জি ভিত্তিতে ভারত, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেয়।

সূত্র জানায়, উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনসাধারণের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। কৃষকদের খাদ্য উদপাদনে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতেও সচেষ্ট সরকার। এ লক্ষ্যে প্রতি বোরো ও আমন মৌসুমে সরকারিভাবে ধান-চাল কেনা হয়ে থাকে। কিন্তু গত বোরো (২০২০) মৌসুমে সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৫৪.৪৯ শতাংশ অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

অন্যদিকে, চলতি আমন সংগ্রহ মৌসুমে ২.০৭ লাখ মেট্রিক টন ধান এবং ৬.৫০ লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চলতি মার্চ মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত মাত্র ৭০ হাজার ৮৪৮ মেট্রিক টন চাল ও ১১ হাজার ৯৯৬ মেট্রিক টন ধান সংগৃহীত হয়েছে। তাছাড়া, ঘন ঘন বন্যা, অতি বৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় আমফান ও করোনা মহামারির কারণে উৎপাদন কিছুটা ব্যাহত হওয়ায় বাজারে ধান ও চালের দাম বাড়ছে।

এ অবস্থায় সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা সচল রাখাসহ নিরাপত্তা মজুত সুসংসহত করার স্বার্থে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের পাশাপাশি জি টু জি পদ্ধতিতে চাল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ মার্চ তারিখে দৈনিক খাদ্যশস্য পরিস্থিতি প্রতিবেদন অনুসারে ৫ লাখ ২৮ হাজার মেট্রিক টন চাল ও ৯৮ হাজার মেট্রিক টন গম মজুত আছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর