০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চীনের সাথে যুদ্ধ বেধে গেলে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে তাইওয়ান!

চীনের সাথে যুদ্ধ বেধে গেলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তাইওয়ান। তাইওয়ানের ওপর হামলা চালাতে পারে চীন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ফিলিপ ডেভিডসনও। তিনি বলেছেন, আমাদের কাছে যে ইঙ্গিত আছে তাতে তাইপের ওপর হামলার ঝুঁকি বাড়ছে। এদিকে, তাইয়ানের আকাশসীমায় আরও যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে চীন। তবে এতে যুদ্ধ বেধে গেলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাইওয়ানিজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ফিলিপ ডেভিডসনের দাবি, তাইওয়ানকে নিজের অংশ মনে করে চীন। এজন্য তারা ‘এক চীন’ নীতির আওতায় তাইওয়ানকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে চায়। আন্তর্জাতিক সমাজও এক চীন নীতি সমর্থন করে। সারা বিশ্বের প্রায় সব দেশই তাইওয়ানকে চীনের অংশ হিসেবে মেনে নিয়েছে। এক চীন নীতির আওতায় তাইওয়ানের সঙ্গে কোনো দেশের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা মেনে নেয় না বেইজিং।

তাইওয়ানের আকাশসীমায় গত কয়েক মাস ধরে প্রায় প্রতিদিনই যুদ্ধবিমানের মহড়া দিচ্ছে চীনারা। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, গত সোমবারও চীনের ১২টি যুদ্ধবিমান তাদের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছে। একই সময় একটি সাবমেরিন বিধ্বংসী উড়োজাহাজ গেছে তাইওয়ান-ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী বাশি চ্যানেলের ওপর দিয়ে। তাইপের পক্ষ থেকে এসব যুদ্ধবিমানকে সতর্কতা সংকেত পাঠানো হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার

জনপ্রিয়

এলাকার সন্তান হিসেবে সবার কাছে ধানের শীষে ভোট চাই : তারেক রহমান

চীনের সাথে যুদ্ধ বেধে গেলে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে তাইওয়ান!

প্রকাশিত : ১১:১৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল ২০২১

চীনের সাথে যুদ্ধ বেধে গেলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তাইওয়ান। তাইওয়ানের ওপর হামলা চালাতে পারে চীন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ফিলিপ ডেভিডসনও। তিনি বলেছেন, আমাদের কাছে যে ইঙ্গিত আছে তাতে তাইপের ওপর হামলার ঝুঁকি বাড়ছে। এদিকে, তাইয়ানের আকাশসীমায় আরও যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে চীন। তবে এতে যুদ্ধ বেধে গেলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাইওয়ানিজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ফিলিপ ডেভিডসনের দাবি, তাইওয়ানকে নিজের অংশ মনে করে চীন। এজন্য তারা ‘এক চীন’ নীতির আওতায় তাইওয়ানকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে চায়। আন্তর্জাতিক সমাজও এক চীন নীতি সমর্থন করে। সারা বিশ্বের প্রায় সব দেশই তাইওয়ানকে চীনের অংশ হিসেবে মেনে নিয়েছে। এক চীন নীতির আওতায় তাইওয়ানের সঙ্গে কোনো দেশের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা মেনে নেয় না বেইজিং।

তাইওয়ানের আকাশসীমায় গত কয়েক মাস ধরে প্রায় প্রতিদিনই যুদ্ধবিমানের মহড়া দিচ্ছে চীনারা। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, গত সোমবারও চীনের ১২টি যুদ্ধবিমান তাদের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছে। একই সময় একটি সাবমেরিন বিধ্বংসী উড়োজাহাজ গেছে তাইওয়ান-ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী বাশি চ্যানেলের ওপর দিয়ে। তাইপের পক্ষ থেকে এসব যুদ্ধবিমানকে সতর্কতা সংকেত পাঠানো হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার