বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য তাল গাছ ও বাবুই পাখির বাসা। পরিবেশ বিপর্যয় জলবায়ু পরিবর্তন, বন উজার, নতুন বনায়নে বাসযোগ্য পরিবেশ ও খাদ্যের অভাব, নির্বিচারে তাল ও নারিকেল গাছ কর্তনের,কারণে সামাজিক বন্ধনের প্রতিচ্ছবি বাবুই পাখি ও এর দৃষ্টিনন্দন বাসা ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে। গ্রাম বাংলার অতি পরিচিত বাবুই পাখি তার নিপুণ ছোঁয়ায় তৈরি করতো নিজ বাসা। কালের বিবর্তনে রূপগঞ্জ থেকে এই বাবুই পাখির বাসা আজ বিলুপ্তির পথে। এখন আর আগের মত দেখা যায় না বাবুই পাখির বাসা। আর গ্রামের রাস্তায় নেই সেই সারিবন্ধ তাল ও নারিকেলগাছ। যেটা ছিলো বাবুই পাখির মুল বসবাস যোগ্য।
গ্রাম-গঞ্জে নারিকেল পাতা, তালের পাতা, লম্বা শক্ত ঘাস, এসবের সমন্বয়ে একটি তাল ও নারিকেল গাছে তিন প্রকারের বাসা নির্মাণ করতো বাবুই পাখি। এর মধ্যে একটি বসবাসের জন্য, একটি ডিম পেড়ে বাচ্চা ফুটানোর জন্য, এবং একটি খাবার সংগ্রহ করে রাখার জন্য। বাসা নির্মাণের জন্য তারা সাধারণত তাল ও নারিকেল গাছকে বেশি বেছে নিতো। রূপগঞ্জে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য তাল গাছ ও বাবুই পাখির বাসা। নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের মিরকুটিরছেও গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম বলেন,তালগাছ দীর্ঘমেয়াদী গাছ । তাই বাণিজ্যিকভাবে তাল গাছের আবাদ হয় না। তাই বাবুই পাখি এখন বাসা বাঁধারও জায়গা পায় না। এক সময় গ্রামের রাস্তায়,পুকুর, কিংবা নদীর পাড়ে তাল ও নারিকেল গাছ দেখা যেত, এবং সেই গাছে বাবুই পাখি তার মনের ছোঁয়ায় ফুটিয়ে তুলতো তার বাসস্থান। কিন্তু তাল ও নারিকেলগাছ এখন প্রায় বিলুপ্ত পথে। আর হারিয়েও যাচ্ছে বাবুই পাখির বাসা।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা বনকর্মকর্তা শঞ্জয় হাওলাদার বলেন,বাজেট কম থাকর কারনে তাল গাছ রোপন করা সম্ভব হচ্ছে না। খুব অবহেলিত ভাবে দিন যাপন করছি আমরা।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ










