ফেনীতে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকার ঘোষিত ‘কঠোর বিধিনিষেধের’ প্রথম দিন আজ বৃহস্পতিবার ফেনীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান দেখা যাচ্ছে। শহরসহ জেলার বিভিন্ন সড়ক ও স্পটে চেক পোস্ট বসিয়ে তল্লাশী করছেন তারা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরে রিকশা চলাচলেও নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে। বের হয়নি প্রাইভেট গাড়ী। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পন্যবাহী গাড়ী চলাচল করছে। তবে গনপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ইতিপূর্বে লকডাউনে দূরপাল্লায় মাইক্রোবাস চললেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ায় আজ থেকে তা বন্ধ রয়েছে।
কাঁচাবাজার আর নিত্যপন্য ছাড়া মার্কেট, বিপনীবিতান সহ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকায় রাস্তায় মানুষও অনেক কম। হাসপাতালগামী আর জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বেরর হচ্ছেনা। অনেকেই গন্তব্যে যাচ্ছেন পায়ে হেঁটে।
এদিকে লকডাউন বাস্তবায়নে ফেনীতে ১৬ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োজিত রয়েছেন। এক প্লাটুন সেনাবাহিনী ও দুই প্লাটুন বিজিবির পাশাপাশি ৩১ জন র্যাব সদস্যও টহলে নিয়োজিত রয়েছে।
জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান বুধবার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার থেকে সরকারী বিধিনিষেধ মেনে সবাইকে ঘরে থাকতে হবে। ফেনীতে রিকশা চলবে না। সকল চা দোকানও বন্ধ থাকবে। সরকারী নির্দেশনা পালনে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে। সবাইকে ঘরে থাকতে হবে, কোনভাবে ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না। জরুরী প্রয়োজনে বের হতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে ও মাস্ক ব্যবহার করতে অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।










