আম ও চালের ভান্ডার খ্যাত উত্তরাঞ্চলের বৃহত্তর জেলা নওগাঁয় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস্ লিঃ কোম্পানির প্যারাসিটামল গ্রুপের বহু প্রচারিত নাপা ট্যাবলেট মিলছেনা শহরের ফার্মেসি গুলোতে। জেলার অন্যান্য উপজেলা গুলোতেও খোঁজ নিয়ে দেখা যায় একই দৃশ্য। ফলে নাপা শূন্যতায় ভাষছে ১১ উপজেলা বিশিষ্ট জেলা নওগাঁ।
সাধারণ জ্বর কিংবা ডাক্টারের প্রেসক্রিপশনে লেখা ‘নাপা’ ট্যাবলেট দোকান থেকে দোকানে ঘুড়েও না পেয়ে বিপাকে পরছেন ঐষধ ক্রেতারা। শহরের ছোট-বড় ঐষধের দোকানগুলোতে যেন ন্যাপার খোঁজ নিয়ে ভিড় জমাচ্ছেন জনসাধারণ।
এদিকে, কিছু কিছু ঔষধের দোকানে নাপা মিললেও বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেকেই।
এ বিষয়ে শহরের ‘ষ্টার ফার্মেসি, সুমন মেডিক্যাল স্টোর, এস.এ মেডিকাল স্টোর, মেরিনা ফার্মেসি সহ কয়েকজন ফার্মেসি দোকান মালিকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, ঔষধ কোম্পানির সাপ্লাই না থাকাই দু’মাস ধরে আমরা নাপা পাইনী তবে গত বৃহস্পতিবার থেকে সামান্ন কিছু পাচ্ছি। তবে তা চাহিদা অনুযায়ী যথেষ্ট নয়।
শহরের ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে মেরিনা মেডিক্যাল এর স্বত্তাধিকারি ফার্মাসিস্ট মোস্তাক আহমেদ বলেন, কোম্পানিকে বাড় বাড় অর্ডার দেবার পরেও আমরা চাহিদা অনুযায়ী নাপা পাচ্ছিনা। তবে নাপা শূন্যতার পূরণের জন্য কিন্তু প্যারাসিটামল গ্রুপের অন্যান্য কোম্পানি যেমন স্কোয়ার কোং এর- Ace, রেনেটা লিমিটেড এর Pyrangin, একমি কোম্পানির- Fast, অপসোনিন ফার্মার- Renova সহ বিভিন্ন কোম্পানির প্যারাসিটামল গ্রুপের ট্যাবলেট রয়েছে। বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস্ কোম্পানির ‘নাপা’ ট্যাবলেই যে নিতে হবে তা নয়। নাপার বিপরিতে মার্কেটে বিভিন্ন ট্যাবলেট/সিরাপ রয়েছে। সুতরাং নাপার শূন্যতায় হতাশার কোন কারণ দেখছিনা।
অনুসন্ধানে বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস্ লিঃ এর নওগাঁয় কর্মরত মেডিকাল প্রমোশন অফিসার (এমপিও) অলক কুমার সরকার এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, নাপার শূন্যতা আগে ছিলো তবে আমরা গত ১লা জুন (বৃহস্পতিবার) থেকে নওগাঁতে সরবরাহ করছি, আশা করছি দু’চার দিনের মধ্যেই নাপার শূন্যতা দূর হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ










