মাদারীপুরের রাজৈরে জনগণকে সরকারী বিধি নিষেধ মানাতে প্রশাসনের অভিযান চলমান রয়েছে। অপ্রয়োজনে বের হওয়া লোকজনকে ঘরে ফেরাতে মোতায়েন রয়েছে বিজিবি, র্যাব, পুলিশসহ আনসার ও ভিডিবি বাহিনীর সদস্যরা। প্রতি মূহূর্তে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছেন ইউএনও মো. আনিসুজ্জামান ও এসিল্যান্ড রেজওয়ানা কবির। এছাড়া ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের প্রধান ফটোকগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার রাজৈর বাসস্ট্যান্ড,হাসপাতাল রোড বাজার রোড, থানার মোর, সানেরপাড়, টেকেরহাট উত্তরপাড়, বাসস্ট্যান্ড গোল চত্ত্বর, দক্ষিণপাড় তেল পাম্প, শিমুলতলা, কামালদি ও সাধুর ব্রীজ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এসময় কঠোর লকডাউনের মধ্যে সড়কে চলাচল করা প্রাভেটকার, মোটরসাইকেল, নসিমন, ইজিবাইক ও অটোভ্যান গুলো দাড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা গেছে। সন্দেহজনক মনে হলেই মোটরসাইকেল ও নসিমনে ২-৩ হাজার টাকার মামলা দিচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। এমনকি রাজৈর থানার পুলিশ অটোভ্যানের হাওয়া ছেড়ে দিচ্ছেন। এছাড়াও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণের চলাচলের প্রধান সড়কগুলো বাঁশের বেড়িকেট দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। প্রতিদিনের মতো সোমবার (৫ জুলাই) লকডাউনের পঞ্চম দিনও রাজৈর ও টেকেরহাটসহ অন্যান্য বাজারগুলো পরিদর্শন করেন ইউএনও মো. আনিসুজ্জামান। এসময় বিজিবি, র্যাব, আনসার ও ভিডিবি বাহিনীর সদস্যরা তার সাথে উপস্থিত ছিলেন। তবে বড় বড় শপিং কমপ্লেক্স ও মার্কেটগুলোর দোকান বন্ধ থাকলেও ইউনিয়নের অধিকাংশ বাজারের দোকান খোলা রয়েছে।
ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা কবির জানান, লকডাউন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে শনিবার (৩ জুলাই) মোট ৮টি ও রবিবার (৪ জুলাই) মোট ৫টি মামলা করা হয়। এসময় সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের কাছ থেকে দুইদিনে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সারাদিন বিজিবি, র্যাব, পুলিশসহ আনসার ও ভিডিবি বাহিনীর সদস্যরা আমাদের সাথে নিরলস ভাবে কাজ করছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।










