০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

কমলগঞ্জ থেকে ফেরৎ গেল করোনার বরাদ্ধকৃত ১৪ লক্ষাধিক টাকা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর করোনা টিকা ,নমুনা সংগ্রহ সহ বিভিন্ন খাতের বরাদ্দ প্রাপ্ত টাকা ব্যবহার করতে না পারায় প্রায় ১৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৬শ টাকা ফেরত গেছে। এছাড়া ব্যয়কৃত অর্থ ব্যায় নিয়ে ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
জানাযায়,করোনা টিকা প্রদান, নমুনা সংগ্রহ, রোগীদের পরিচর্যা, করোনাসামগ্রী ক্রয়, প্রশিক্ষণ ও করোনা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে ২০২০-২১ অর্থবছরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টর ওএমএন এইচ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বরাদ্দ দেয় ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ৫২০ টাকা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই টাকা খরচ না করায় ১৪ লক্ষ ৬৫ হাজার ৫২০ টাকাই ফেরত গিয়েছে।

উপজেলার সচেতন নাগরিকরা বলছেন,সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে এমনটি হয়েছে। এদিকে যে পরিমাণ টাকা ব্যয় হয়েছে তা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা যায়, করোনা সংশ্লিষ্ট খাতে ২০২০-২১ অর্থবছরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ১ লক্ষ ২ হাজার ১৬০ টাকা যার পুরোটাই খরচ হয়েছে। আপ্যায়নের জন্য ১০ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮০০ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে । ২ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা খরচ হয়েছে। ফেরত গেছে ৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। পরিবহনের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা।

খরচ হয়েছে ৪১ হাজার টাকা। ফেরত গেছে ৩ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা। ভ্রমনের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ১ লক্ষ ৮০০ টাকা। খরচ হয়েছে ৫ হাজার ২০০ টাকা। ফেরৎ গেছে ৯৫ হাজার ৬০০ টাকা। স্বাস্থ্য বিধান সামগ্রীর জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ৪০ হাজার ৫৬০ টাকা যার পুরোটাই খরচ হয়েছে। সেই সাথে সম্মানি ভাতা হিসেবে বরাদ্দ দিয়েছে ২৫ হাজার ২০০ টাকা, যার পুরোটাই খরচ হয়েছে। সব মিলিয়ে এই ছয় খ্যাতে মোট বরাদ্ধ হয়েছে ১৬ লক্ষ ৬৫ হাজার ৫২০ টাকা। খরচ হয়েছে ৪ লক্ষ ৭০ হাজার ৯২০ টাকা। অবশিষ্ট ১১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৬০০ টাকা ফেরত গিয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক সংগনিরোধক খাতে ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হলেও কোন টাকাই কাজে না লাগাতে না পারায় পুরো টাকাই ফেরত গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মাহবুবুল আলম ভঁ‚ইয়া কে এ ব্যাপারে কয়েকবার মোবাইলে ফোন দিলে ও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।
সিভিল সার্জন ডা. চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ সাংবাদিকদের বলেন, সুনির্দিষ্ট ব্যয়ের কোনো পরিকল্পনা দেয়নি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যার কারণে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব টাকা খরচ করা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া মন্ত্রণালয় থেকে টাকা সরাসরি সংশ্লিষ্ট উপজেলায় পাঠানো হয়। যার কারণে ব্যয়ের বিষয়ে আমাদের কোনো এখতিয়ার ছিল না। তবে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে হয়তো আরও কিছু কাজ করা সম্ভব হতো।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশি চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: স্কোলিওসিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত।

কমলগঞ্জ থেকে ফেরৎ গেল করোনার বরাদ্ধকৃত ১৪ লক্ষাধিক টাকা

প্রকাশিত : ০৪:২৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর করোনা টিকা ,নমুনা সংগ্রহ সহ বিভিন্ন খাতের বরাদ্দ প্রাপ্ত টাকা ব্যবহার করতে না পারায় প্রায় ১৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৬শ টাকা ফেরত গেছে। এছাড়া ব্যয়কৃত অর্থ ব্যায় নিয়ে ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
জানাযায়,করোনা টিকা প্রদান, নমুনা সংগ্রহ, রোগীদের পরিচর্যা, করোনাসামগ্রী ক্রয়, প্রশিক্ষণ ও করোনা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে ২০২০-২১ অর্থবছরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টর ওএমএন এইচ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বরাদ্দ দেয় ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ৫২০ টাকা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই টাকা খরচ না করায় ১৪ লক্ষ ৬৫ হাজার ৫২০ টাকাই ফেরত গিয়েছে।

উপজেলার সচেতন নাগরিকরা বলছেন,সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে এমনটি হয়েছে। এদিকে যে পরিমাণ টাকা ব্যয় হয়েছে তা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা যায়, করোনা সংশ্লিষ্ট খাতে ২০২০-২১ অর্থবছরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ১ লক্ষ ২ হাজার ১৬০ টাকা যার পুরোটাই খরচ হয়েছে। আপ্যায়নের জন্য ১০ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮০০ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে । ২ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা খরচ হয়েছে। ফেরত গেছে ৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। পরিবহনের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা।

খরচ হয়েছে ৪১ হাজার টাকা। ফেরত গেছে ৩ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা। ভ্রমনের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ১ লক্ষ ৮০০ টাকা। খরচ হয়েছে ৫ হাজার ২০০ টাকা। ফেরৎ গেছে ৯৫ হাজার ৬০০ টাকা। স্বাস্থ্য বিধান সামগ্রীর জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ৪০ হাজার ৫৬০ টাকা যার পুরোটাই খরচ হয়েছে। সেই সাথে সম্মানি ভাতা হিসেবে বরাদ্দ দিয়েছে ২৫ হাজার ২০০ টাকা, যার পুরোটাই খরচ হয়েছে। সব মিলিয়ে এই ছয় খ্যাতে মোট বরাদ্ধ হয়েছে ১৬ লক্ষ ৬৫ হাজার ৫২০ টাকা। খরচ হয়েছে ৪ লক্ষ ৭০ হাজার ৯২০ টাকা। অবশিষ্ট ১১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৬০০ টাকা ফেরত গিয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক সংগনিরোধক খাতে ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হলেও কোন টাকাই কাজে না লাগাতে না পারায় পুরো টাকাই ফেরত গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মাহবুবুল আলম ভঁ‚ইয়া কে এ ব্যাপারে কয়েকবার মোবাইলে ফোন দিলে ও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।
সিভিল সার্জন ডা. চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ সাংবাদিকদের বলেন, সুনির্দিষ্ট ব্যয়ের কোনো পরিকল্পনা দেয়নি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যার কারণে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব টাকা খরচ করা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া মন্ত্রণালয় থেকে টাকা সরাসরি সংশ্লিষ্ট উপজেলায় পাঠানো হয়। যার কারণে ব্যয়ের বিষয়ে আমাদের কোনো এখতিয়ার ছিল না। তবে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে হয়তো আরও কিছু কাজ করা সম্ভব হতো।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ