ভারী বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তার পানি শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত ৫২.৬০ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হয়েছে। হাতীবান্ধার দোয়ানি তিস্তা ব্যারেজের ৪০ টি জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে বলে ব্যারেজ কতৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন। অপরদিকে ধরলাসহ সকল নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং কয়েকটি এলাকায় নদী ভাঙ্গন অব্যহত রয়েছে।
পানি বৃদ্ধির কারনে অনেক কৃষকের বিভিন্ন ক্ষেত পানির নিচে ডুবে গেছে। অনেক নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। লালমনিরহাট সদর উপজেলার চরগোকুন্ডা, খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও মোগলহাটের কিছু এলাকায় নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচার গোবধন, এছাড়া হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী চর ও উত্তর দক্ষিণ ধুবনী , সিন্দুর্ণা উত্তর দক্ষিণ ও চর সিন্দুর্ণা হলদীবাড়ি, উত্তর দক্ষিণ পারুলিয়া ও পশ্চিম হলদীবাড়ি, ডাউয়াবাড়ি পূর্ব ও পশ্চিম ডাউয়াবাড়ি এবং কিশামত নোহালী সহ তিস্তা নদী কবলিত এলাকায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সদর উপজেলার কিছু এলাকায় ভাঙ্গন অব্যহত রয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকার পরিবার গুলো কঠিন কষ্টে দিন যাপন করছেন বলে জানা গেছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ










