০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

রূপগঞ্জে অগ্নিকান্ড: আজ দিনভর চলছে ফায়ার সার্ভিসের ডাম্পিং কার্যক্রম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুডস এন্ড বেভারেজ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় শনিবার দিনভর চলছে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান ও ডাম্পিং কার্যক্রম। ভবনের ৬ তলার আগুন নিভলেও এখনো সেখান থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস থেকে জানানো হয়েছে ভবনটিতে ফায়ার ফাইটিংয়ের কোন ব্যবস্থাই ছিল না। এছাড়া পুলিশ এই হতাহতের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতেও প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। আজও কারখানায় নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে ছুটে আসছেন আত্মীয়রা। তাদেরই একজন খাদিজার বোন। নিখোঁজ খাদিজার খোঁজে তার ভাই ও বোন কারখানার গেটে এসে কান্নাকাটি করছিলেন। শনিবার সরেজমিনে আগুন লাগা ভবনে গিয়ে দেখা গেছে চারিদিকে শুধু পোড়া ধ্বংসস্তুপ।
শনিবার দুপুর ১২টায় গণমাধ্যমকে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিলিভ ডিফেন্সের পরিচালক ( অপারেশন এন্ড ম্যানটেনেন্স) জিল্লুর রহমান জানান, ভবনের ৬ তলায় তাদের উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। তবে সেখানে নতুন করে আর কোন লাশ পাবার সম্ভাবনা কম। এছাড়া আগুন লাগা ভবনে কোন ধরনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ছিল। ভবনের আয়তন ও লোকজন অনুসারে ৫টি সিঁড়ির দরকার ছিল। ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড মানা হয়নি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ৪ তলার সিড়ি নেট দিয়ে আটকানো ও তালাবদ্ধ থাকার কারনে এতো বেশি প্রাণহানী ঘটেছে। এদিকে, ভবনের ৫ম তলা পর্যন্ত গিয়ে দেখা গেছে চারিদিকে শুধু পোড়া ধ্বংসস্তুপ আর পোড়া দুর্গন্ধ। ৬ তলায় কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। সেখানে বিভিন্ন জায়গার ধ্বংসস্তুপ থেকে আগুনের শিখা জ্বলছে। সেসব আগুন নেভানো ও লাশের খোঁজে নেমেছেন তাঁরা। উল্লেখ্য- বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় রূপগঞ্জের হাসেম ফুডস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে বৃহস্পতিবার তিনজন ও শুক্রবার আরো ৪৯ জনের পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়। আহত হন শতাধিক শ্রমিক। ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের ১৮টি ইউনিট ২০ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশি চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: স্কোলিওসিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত।

রূপগঞ্জে অগ্নিকান্ড: আজ দিনভর চলছে ফায়ার সার্ভিসের ডাম্পিং কার্যক্রম

প্রকাশিত : ০৪:০২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুলাই ২০২১

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুডস এন্ড বেভারেজ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় শনিবার দিনভর চলছে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান ও ডাম্পিং কার্যক্রম। ভবনের ৬ তলার আগুন নিভলেও এখনো সেখান থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস থেকে জানানো হয়েছে ভবনটিতে ফায়ার ফাইটিংয়ের কোন ব্যবস্থাই ছিল না। এছাড়া পুলিশ এই হতাহতের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতেও প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। আজও কারখানায় নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে ছুটে আসছেন আত্মীয়রা। তাদেরই একজন খাদিজার বোন। নিখোঁজ খাদিজার খোঁজে তার ভাই ও বোন কারখানার গেটে এসে কান্নাকাটি করছিলেন। শনিবার সরেজমিনে আগুন লাগা ভবনে গিয়ে দেখা গেছে চারিদিকে শুধু পোড়া ধ্বংসস্তুপ।
শনিবার দুপুর ১২টায় গণমাধ্যমকে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিলিভ ডিফেন্সের পরিচালক ( অপারেশন এন্ড ম্যানটেনেন্স) জিল্লুর রহমান জানান, ভবনের ৬ তলায় তাদের উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। তবে সেখানে নতুন করে আর কোন লাশ পাবার সম্ভাবনা কম। এছাড়া আগুন লাগা ভবনে কোন ধরনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ছিল। ভবনের আয়তন ও লোকজন অনুসারে ৫টি সিঁড়ির দরকার ছিল। ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড মানা হয়নি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ৪ তলার সিড়ি নেট দিয়ে আটকানো ও তালাবদ্ধ থাকার কারনে এতো বেশি প্রাণহানী ঘটেছে। এদিকে, ভবনের ৫ম তলা পর্যন্ত গিয়ে দেখা গেছে চারিদিকে শুধু পোড়া ধ্বংসস্তুপ আর পোড়া দুর্গন্ধ। ৬ তলায় কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। সেখানে বিভিন্ন জায়গার ধ্বংসস্তুপ থেকে আগুনের শিখা জ্বলছে। সেসব আগুন নেভানো ও লাশের খোঁজে নেমেছেন তাঁরা। উল্লেখ্য- বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় রূপগঞ্জের হাসেম ফুডস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে বৃহস্পতিবার তিনজন ও শুক্রবার আরো ৪৯ জনের পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়। আহত হন শতাধিক শ্রমিক। ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের ১৮টি ইউনিট ২০ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ