কঠোর লকডাউনে বিধিনিষেধে রয়েছে পঞ্চগড়। লকডাউন বাস্তবায়নে তৎপর প্রশাসনও। বিকেল পর্যন্ত দোকানপাট খোলা থাকলেও পুরোদমে বন্ধ থাকছে হোটেল-রেস্তরাঁ। এতে ছিন্নমূল, দরিদ্র ও নি¤œআয়ের মানুষেরা চরম বিপাকে। এ অবস্থায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান নামের পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এক সদস্য। তিনি শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ক্ষুধার্তদের মাঝে খাবার পৌঁছে দেন।
মঙ্গলবার সন্ধায় তৃতীয় দিনের মত জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছিন্নমূল ও ভবঘুরেদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে খাবার পৌঁছে দেন তিনি। এর আগে বিকেলে হাসপাতালের সামনে প্রায় ২০০ জন রিকশা ও ভ্যান চালকের মাঝে খাবার বিতরণ করতে দেখা যায় তাকে। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন রঞ্জন রায় নামের জেলা পুলিশের আরেক এটিএসআই।
পুলিশ সদস্যের দেয়া খাবার পেয়ে বেশ খুশি ভ্যান ও রিকশা চালকরা। কথা হয় সোলেমান আলী, আককাস, মোমিন ও হাসিবুল নামের চার রিকশা চালকের সঙ্গে। তারা বলেন, লকডাউনে এমনিতেই আয় রোজগার কম। আবার খাবার হোটেলও বন্ধ। এজন্য ক্ষিধে নিয়েই রিকশা চালাতে হয়। আর খেতে হয় বাড়ি ফিরে। আজকে পুলিশ সদস্য ডেকে এনে খাবার দিলেন। পেট পুরে খেতে পারবো।
এটিএসআই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, হোটেল, রেস্তরাঁ খোলা থাকলে ছিন্নমূল এবং ভবঘুরেদের অনেকেই খাবার খেতে দেয়। কিন্তু লকডাউনে সবকিছু বন্ধ থাকায় অনাহারেই থাকতে হচ্ছে এসব মানুষকে। আমি আমার অবস্থান থেকে বঞ্চিত মানুষদের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি, সামনের দিনেও থাকবো।










