০৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রশংসায় ভাসছে বাঘাইছড়ি UNO

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলা বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, এটি দেশের বৃহত্তম ও দুর্গম উপজেলা। । এই দুর্গম উঁচু-নিচু পাহাড়ি জনপদে চষে বেড়াচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার কৃতিসন্তান, তথা বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শরিফুল ইসলাম।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে পাকা বাড়ি পাচ্ছে দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। সে ধারাবাহিকতায় বাঘাইছড়ি উপজেলায় ১ম ও ২য় ধাপে মোট ১৮০-টি বাড়ি পেয়েছে দুস্ত হতদরিদ্র, স্বামী পরিত্যক্তা, বিধবা,প্রতিবন্ধী, অস্বচ্ছল পরিবার বর্গ।

উপকারভোগী নুর ইসলাম বলেন, জরাজীর্ণ ঘরে স্ত্রী ও ছেলে মেয়ে নিয়ে বহু কষ্টে জীবন কাটাচ্ছিলাম, এখন টিউনো (UNO) স্যার আমাদের পাকা বাড়ি দিছে, বাড়িটি খুব মজবুত হইছে, স্যার কয়েকবার এসে বাড়িটি দেখে গেছে, আল্লাহ স্যার’কে ভালো রাখুক।

হালেমা নামে উপকারভোগী বলেন, শোনছি দেশের কয়েক যায়গায় ঘর নাকি ভেঙে গেছে, কিন্তু আমাগো ঘর ভাঙ্গে নাই, স্যার কয়েকবার এসে দেখে যাওয়ার কারণে ঘরটি সুন্দর হইছে। স্যারের জন্যে দোয়া করি।

রূপকারি ইউনিয়ন থেকে উপকারভোগী মনি চাকমা বলেন: শিলাবৃষ্টির কারণে আমার ঘরের টিনের চালা ফোঁটা হয়ে যায়, ঘরের ভিতরে বৃষ্টির পানি পরলে চালে পলিথিনও দিয়ে রাখি, এখন আর পলিথিন দিয়ে রাখতে হবে না, ইউনো(UNO) স্যার আমাদের ঘর দিয়েছে, ঘর পেয়ে আমরা অনেক খুশি। ভগবান তার মঙ্গল করুক।

বাঘাইছড়িতে আশ্রায়ণ-২ প্রকল্প বাস্তবায়ন কতটুকু নির্ভরযোগ্যতা পেয়েছে? জানতে চাইলে বাঘাইছড়ি পৌর মেয়র মোঃ জাফর আলী খান বলেন: শহরের তুলনায় দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর নির্মাণে খরচ অনেকটা বেশি হওয়া সত্যেও ঘর পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে দৃশ্যমান করাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা। দূরবর্তী ইউনিয়নগুলো তে বাজেটকৃত অর্থে ঘর নির্মাণ করা যদিও কষ্টসাধ্য ব্যাপার, তারপরেও তা সম্ভব করছেন UNO । তিনি স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে ঘরগুলো তদারকি করছেন বলেও জানতে পারি। অসহায় জনপদে মানুষের পাশে তিনি যেভাবে দাড়িয়েছে তা প্রশংসার যোগ্য।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় সারাদেশের মতো বাঘাইছড়িতে খাস জমি খুঁজে কাজটি বাস্তবায়ন করছে উপজেলা প্রশাসন। নিয়মিত তদারকিও করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রথম পর্যায়ের ৮০-টি ঘর সম্পন্ন হয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায়ের ৮০-টি ঘর জুলাই মাসের মধ্যেই দৃশ্যমান হবে এবং তৃতীয় পর্যায়ে ঘর দেওয়ার জন্য আবেদনকারী’দের নামের তালিকা যাচাই-বাছাই এর কাজ চলমান রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

বিধানসভা নির্বাচনে পিছিয়ে তৃণমূল‘খেলা শেষ’ লিখে বার্তা পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রশংসায় ভাসছে বাঘাইছড়ি UNO

প্রকাশিত : ০৭:৪৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই ২০২১

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলা বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, এটি দেশের বৃহত্তম ও দুর্গম উপজেলা। । এই দুর্গম উঁচু-নিচু পাহাড়ি জনপদে চষে বেড়াচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার কৃতিসন্তান, তথা বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শরিফুল ইসলাম।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে পাকা বাড়ি পাচ্ছে দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। সে ধারাবাহিকতায় বাঘাইছড়ি উপজেলায় ১ম ও ২য় ধাপে মোট ১৮০-টি বাড়ি পেয়েছে দুস্ত হতদরিদ্র, স্বামী পরিত্যক্তা, বিধবা,প্রতিবন্ধী, অস্বচ্ছল পরিবার বর্গ।

উপকারভোগী নুর ইসলাম বলেন, জরাজীর্ণ ঘরে স্ত্রী ও ছেলে মেয়ে নিয়ে বহু কষ্টে জীবন কাটাচ্ছিলাম, এখন টিউনো (UNO) স্যার আমাদের পাকা বাড়ি দিছে, বাড়িটি খুব মজবুত হইছে, স্যার কয়েকবার এসে বাড়িটি দেখে গেছে, আল্লাহ স্যার’কে ভালো রাখুক।

হালেমা নামে উপকারভোগী বলেন, শোনছি দেশের কয়েক যায়গায় ঘর নাকি ভেঙে গেছে, কিন্তু আমাগো ঘর ভাঙ্গে নাই, স্যার কয়েকবার এসে দেখে যাওয়ার কারণে ঘরটি সুন্দর হইছে। স্যারের জন্যে দোয়া করি।

রূপকারি ইউনিয়ন থেকে উপকারভোগী মনি চাকমা বলেন: শিলাবৃষ্টির কারণে আমার ঘরের টিনের চালা ফোঁটা হয়ে যায়, ঘরের ভিতরে বৃষ্টির পানি পরলে চালে পলিথিনও দিয়ে রাখি, এখন আর পলিথিন দিয়ে রাখতে হবে না, ইউনো(UNO) স্যার আমাদের ঘর দিয়েছে, ঘর পেয়ে আমরা অনেক খুশি। ভগবান তার মঙ্গল করুক।

বাঘাইছড়িতে আশ্রায়ণ-২ প্রকল্প বাস্তবায়ন কতটুকু নির্ভরযোগ্যতা পেয়েছে? জানতে চাইলে বাঘাইছড়ি পৌর মেয়র মোঃ জাফর আলী খান বলেন: শহরের তুলনায় দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর নির্মাণে খরচ অনেকটা বেশি হওয়া সত্যেও ঘর পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে দৃশ্যমান করাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা। দূরবর্তী ইউনিয়নগুলো তে বাজেটকৃত অর্থে ঘর নির্মাণ করা যদিও কষ্টসাধ্য ব্যাপার, তারপরেও তা সম্ভব করছেন UNO । তিনি স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে ঘরগুলো তদারকি করছেন বলেও জানতে পারি। অসহায় জনপদে মানুষের পাশে তিনি যেভাবে দাড়িয়েছে তা প্রশংসার যোগ্য।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় সারাদেশের মতো বাঘাইছড়িতে খাস জমি খুঁজে কাজটি বাস্তবায়ন করছে উপজেলা প্রশাসন। নিয়মিত তদারকিও করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রথম পর্যায়ের ৮০-টি ঘর সম্পন্ন হয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায়ের ৮০-টি ঘর জুলাই মাসের মধ্যেই দৃশ্যমান হবে এবং তৃতীয় পর্যায়ে ঘর দেওয়ার জন্য আবেদনকারী’দের নামের তালিকা যাচাই-বাছাই এর কাজ চলমান রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ