১০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শামসুল আলম

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদ্য সাবেক সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম। রবিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের গ্যালারি হলে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাকে শপথ পড়ান।

বর্তমানে মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী আছেন ২৫ জন। এছাড়া ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব পালন করছেন। শামসুল আলমের শপথের মধ্য দিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২০। সংসদ সদস্য না হওয়ায় তিনি মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট হিসেবে জায়গা পাচ্ছেন।

তিনি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে চুক্তিভিত্তিক পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ৩০ জুন তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। শামসুল আলম পেশাগত জীবনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫ বছর অধ্যাপনার অভিজ্ঞতা শেষে প্রেষণে ছুটিতে যান।
২০০৯ সালের ১ জুলাই পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। তার কর্মজীবনে তিনি দারিদ্র্যবিমোচন কৌশলপত্র সংশোধন ও পূর্ণ বিন্যাস, ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় টেকসই উন্নয়ন কৌশলপত্র, শতবর্ষের ডেল্টা প্ল্যানসহ নানা পরিকল্পনা প্রণয়ন করার মধ্য দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। এর স্বীকৃতিস্বরূপ ইতোমধ্যেই অর্থনীতিতে একুশে পদক লাভ করেছেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নতুন বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আনছে আইসিসি

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শামসুল আলম

প্রকাশিত : ০৮:৪০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুলাই ২০২১

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদ্য সাবেক সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম। রবিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের গ্যালারি হলে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাকে শপথ পড়ান।

বর্তমানে মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী আছেন ২৫ জন। এছাড়া ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব পালন করছেন। শামসুল আলমের শপথের মধ্য দিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২০। সংসদ সদস্য না হওয়ায় তিনি মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট হিসেবে জায়গা পাচ্ছেন।

তিনি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে চুক্তিভিত্তিক পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ৩০ জুন তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। শামসুল আলম পেশাগত জীবনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫ বছর অধ্যাপনার অভিজ্ঞতা শেষে প্রেষণে ছুটিতে যান।
২০০৯ সালের ১ জুলাই পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। তার কর্মজীবনে তিনি দারিদ্র্যবিমোচন কৌশলপত্র সংশোধন ও পূর্ণ বিন্যাস, ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় টেকসই উন্নয়ন কৌশলপত্র, শতবর্ষের ডেল্টা প্ল্যানসহ নানা পরিকল্পনা প্রণয়ন করার মধ্য দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। এর স্বীকৃতিস্বরূপ ইতোমধ্যেই অর্থনীতিতে একুশে পদক লাভ করেছেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ