ঢাকা সকাল ৬:৩৩, বুধবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

মডেল তিন্নি হত্যা মামলার রায় ১৫ নভেম্বর

১৯ বছর আগে মডেল সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি (২৪) হত্যা মামলায় রায় ঘোষণার দিন আগামী ১৫ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কেশব রায় চৌধুরী রায়ের এ তারিখ ঠিক করেন। মামলার একমাত্র আসামি জাতীয় পার্টি সাবেক সাংসদ গোলাম ফারুক অভি। তিনি পলাতক রয়েছেন।

ওই আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর ভোলা নাথ দত্ত বলেন, ‘মামলাটি মঙ্গলবার রায় ঘোষণার জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মামলাটির রায় স্থগিত করে যুক্তিতর্কের আবেদন করি। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। আজই (মঙ্গলবার) রাষ্ট্রপক্ষকে যুক্তিতর্ক শেষ করতে বলেছেন। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ বিকেলে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করব। আর আগামী ১৫ নভেম্বর আদালত মামলার রায় ঘোষণা দিন ঠিক করেছেন।’

মামলা থেকে জানা যায়, কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদীর ১ নম্বর চীন মৈত্রী সেতুর ১১ নম্বর পিলারের পাশে ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর রাতে মডেল তিন্নির লাশ পাওয়া যায়। পরদিন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন কেরানীগঞ্জ থানার তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সফি উদ্দিন। এ মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কাইয়ুম আলী সরদার। এরপর নিহত তিন্নির লাশের ছবি পত্রিকায় ছাপা হলে সুজন নামে নিহতের এক আত্মীয় লাশটি মডেল কন্যা তিন্নির বলে শনাক্ত করেন। পরে মামলাটি চাঞ্চল্যকর মামলা হিসেবে ২০০২ সালের ২৪ নভেম্বর তদন্তভার সিআইডিতে ন্যস্ত হয়। আর তদন্তের দায়িত্ব পান তৎকালীন সিআইডির পরিদর্শক ফজলুর রহমান।এরপর মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির পরিদর্শক সুজাউল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) গোলাম মোস্তফা, এএসপি আরমান আলী, এএসপি কমল কৃষ্ণ ভরদ্বাজ এবং এএসপি মোজাম্মেল হক।

সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকই ২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর সাবেক ছাত্রনেতা ও সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভিকে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।২০১০ সালের ১৪ জুলাই অভির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত। এরপর চার্জশিটভুক্ত ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

এ বিভাগের আরও সংবাদ