ঢাকা দুপুর ২:২৭, শনিবার, ২৫শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে আ.লীগের সভা শুরু

প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে দীর্ঘদিন পর শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভা। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাড়ি গণভবনে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই বৈঠক শুরু হয়। সভার শুরুতেই কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে’ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর চিকিৎসার জন্য বিদেশ গিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বাধা উপেক্ষা করেই ওই বছরের ৭ মে দেশে ফিরেছিলেন তিনি।

এ ছাড়া করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক হয়নি। ২০২১ সালের নভেম্বরে একটি বৈঠক হলেও তাতে স্বল্প সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাই আজ বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলের নেতারা।

জাতীয় সম্মেলনকে ঘিরে দলটির এ সভাকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন নেতারা। এতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি, জাতীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি ও সমসাময়িক জাতীয়-আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলোচনাসহ সাংগঠনিক বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

সভার আলোচ্যসূচির মধ্যে রয়েছে শোকপ্রস্তাব পাঠ, ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও ১১ জুন কারামুক্তি দিবস, ২৫ মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী, ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস, ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, ৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়, সাংগঠনিক ও বিবিধ।

আওয়ামী লীগের কয়েকটি সূত্র বলছে, করোনা শুরুর পর বড় পরিসরে এই প্রথম কার্যনির্বাহী সংসদের সভা শুরু হয়েছে। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, দলের আসন্ন জাতীয় সম্মেলন ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীসহ নানা কারণে এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র বলছে, এই সভায় দলের আসন্ন সম্মেলন কবে হবে, সেই বিষয়ে আলোচনা হবে। জেলা-উপজেলা শাখাগুলোর সম্মেলন হয়েছে কি না তা সাংগঠনিক সম্পাদকদের কাছ থেকে রিপোর্ট নেবেন দলীয় সভাপতি। এ বিষয়ে নানা দিকনির্দেশনাও দেবেন তিনি।

এ ছাড়া আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য মাঠের প্রস্তুতি এবং যেসব জেলায় দলীয় কোন্দল বা অভ্যন্তরীণ সমস্যা আছে, সেগুলো সমাধানেও কথা বলবেন দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জানা গেছে, আজকের সভায় বিভিন্ন জেলা শাখার নেতাদের অব্যাহতি ও বহিষ্কারের সুপারিশের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

এ বিভাগের আরও সংবাদ