১২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

আস্থা রাখুন, তবে চোখ বন্ধ রাখলে হবে না : সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আমাদের ওপর আস্থা রাখুন। তবে আস্থা রাখতে গিয়ে চোখ বন্ধ রাখলে হবে না। নজদারিতে রাখতে হবে, আমরা কি আসলেই সাধু, নাকি ভেতরে ভেতরে অসাধু, সেটা যদি আপনারা নজরে না রাখেন, তবে আপনাদের দায়িত্ব পালন হবে না।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) নির্বাচন ভবনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ইভিএম নিয়ে আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। তবে ব্যালট পেপারে একটা অসুবিধা আছে, ব্যালট ছিঁড়ে সিল মেরে দেয়া যায়। কাগজের যে সমস্যা, আমি নিজেও বাক্স পুড়িয়ে দিতে পারি। ইভিএমে লাঠি দিয়ে, হকিস্টিক দিয়ে বাক্স ভেঙে ফেলতে পারবেন, কিন্তু এখানে ভোট নষ্ট হবে না।

তিনি বলেন, একটা কেন্দ্র দখল করে একজন একশটা করে পাঁচজনে মোট যদি পাঁচশটা ভোট দেয়, তাহলে ভোটের হার তো অনেক বেশি হয়। বিভিন্ন জায়গায় সমস্যা আছে। আমি যেটা বলতে চাইছি, সমস্যাগুলো ব্যালেন্স করে যতদূর সম্ভব একটা অর্থবহ, নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত নির্বাচন করা সম্ভব।

অর্থশক্তিকে কীভাবে সামাল দেব, একটা বুদ্ধি দিন। এই অর্থ নিয়ন্ত্রণ করব কীভাবে? কাগজে-কলমে পাঁচ লাখ টাকা করা হলেও যদি প্রকৃত খরচ পাঁচ কোটি টাকা হয় কীভাবে আমি আপনাকে ধরব? এটা অসম্ভব, এজন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

ট্যাগ :

ইতালিকে হারিয়ে বিশ্বকাপে বসনিয়া, টানা তৃতীয়বার বাদ চারবারের চ্যাম্পিয়ন

আস্থা রাখুন, তবে চোখ বন্ধ রাখলে হবে না : সিইসি

প্রকাশিত : ০৪:০২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই ২০২২

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আমাদের ওপর আস্থা রাখুন। তবে আস্থা রাখতে গিয়ে চোখ বন্ধ রাখলে হবে না। নজদারিতে রাখতে হবে, আমরা কি আসলেই সাধু, নাকি ভেতরে ভেতরে অসাধু, সেটা যদি আপনারা নজরে না রাখেন, তবে আপনাদের দায়িত্ব পালন হবে না।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) নির্বাচন ভবনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ইভিএম নিয়ে আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। তবে ব্যালট পেপারে একটা অসুবিধা আছে, ব্যালট ছিঁড়ে সিল মেরে দেয়া যায়। কাগজের যে সমস্যা, আমি নিজেও বাক্স পুড়িয়ে দিতে পারি। ইভিএমে লাঠি দিয়ে, হকিস্টিক দিয়ে বাক্স ভেঙে ফেলতে পারবেন, কিন্তু এখানে ভোট নষ্ট হবে না।

তিনি বলেন, একটা কেন্দ্র দখল করে একজন একশটা করে পাঁচজনে মোট যদি পাঁচশটা ভোট দেয়, তাহলে ভোটের হার তো অনেক বেশি হয়। বিভিন্ন জায়গায় সমস্যা আছে। আমি যেটা বলতে চাইছি, সমস্যাগুলো ব্যালেন্স করে যতদূর সম্ভব একটা অর্থবহ, নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত নির্বাচন করা সম্ভব।

অর্থশক্তিকে কীভাবে সামাল দেব, একটা বুদ্ধি দিন। এই অর্থ নিয়ন্ত্রণ করব কীভাবে? কাগজে-কলমে পাঁচ লাখ টাকা করা হলেও যদি প্রকৃত খরচ পাঁচ কোটি টাকা হয় কীভাবে আমি আপনাকে ধরব? এটা অসম্ভব, এজন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।