ফেনীর দাগনভুঁইয়া থানার ওসি: মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমানের একান্ত প্রচেষ্টায় বদান্যতায়, স্বামীর সংসারে ফিরে গেল, আরমিনা সুলতানা নামের এক নারী।
সুত্রে জানা যায়, সুবর্নচর উপজেলার পশ্চিম জাহাজমারা গ্রামের, খন্দকার বাড়ির, মো: নুরুজ্জামানের ছেলে, হাফেজ আল-আমিনের সাথে, দাগনভুঁইয়ার পৌরশহরের নিঝুমের বিয়ে হয়েছে, এখনো ঠিক করে, এক বছর-ও হয়নি। তারমধ্য শুরু হয়, স্বামী-স্ত্রী’র মনোমালিন্য। একপর্যায়ে স্বামীর সংসারে ফিরবেনা, সাফ জানিয়ে দেন গৃহবধূ। তৎপর থানায় অভিযোগ আমলে নিয়ে, ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান ও তদন্ত ফেরদৌসী বেগম, গৃহবধূর বাড়ীতে যান। অনেক চেষ্টা করে-ও স্বামীর মন গললে-ও স্ত্রী’র হৃদয় যেন পাষান। সবকিছুর পরে-ও, ওসির সর্বোচ্চ চেষ্টায়, ওসি নিজে উপস্থিত থেকে, উভয় পরিবারের মাঝে, সেতুবন্ধন তৈরী করতে সক্ষম হন।
নিঝুম জানান, ওসি স্যার যেভাবে, আমাদের সংসার টিকে রাখার উদ্যোগ নিয়েছেন, সেটি অবশ্যই প্রশংসার দাবী রাখে। আমাদের সংসার রক্ষার জন্য উদ্যোগ না নিলে, হয়তো ভেঙে যেত।
পুলিশের কারনে, আজ আমরা দুজন আলোর পথের সহযাত্রী। ওসি’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে, এ দম্পতি আরো বলেন, দেশের প্রতিটি থানায় ওসি নোমানের মত মানবিক পুলিশ দরকার। গৃহবধূর স্বামী আল-আমিন জানান, ওসি স্যার না হলে সংসার জোড়া লাগতোনা। স্যারের জন্য দোয়া করি।
ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান জানান, একজন হাফেজের সংসার জোড়া লাগতে পেরেছি, এটা-ই আমার সান্ত্বনা। পুলিশ হিসেবে আমার করনীয় থাকলে-ও, মানবিক বিষয়টি আন্তরিক ভাবে দেখেছি। সত্য কথা বলতে কি? সবার উর্ধ্বে মানবতা।
ডিএস./



















