বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসেন এ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে ১২ অক্টোবর ২০২১ সালে যোগদান করেছেন। বিভিন্ন জনকল্যাণমোলক কাজে নিজেকে সক্রিয় রাখার মাধ্যমে সফলতার ১ বছর ৪ মাস পূর্ণ করে হাসি ফুটিয়েছেন উপজেলাবাসীর মুখে।
বিভিন্ন সফলতার মধ্য দিয়ে তিনি সফল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে ইতিমধ্যে সুনাম অর্জন ও সদর উপজেলার সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছেন।জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের সম্পর্কই এখন বন্ধুত্বের মত।
মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রধিকার প্রকল্প ভূমিহীন ও গৃহহীন ৭৩১টি পরিবার পুনবার্সন থেকে শুরু করে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তার সরব উপস্থিতি জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।করোনাকালীন সময়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার, মাস্ক,হ্যান্ড স্যানিটাইজার ইত্যাদি সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর,আসবাবপত্র বেঞ্চ বিতরণ, সমাজের অসহায়,দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য সমাজসেবী মানুষের আর্থিক সাহায্য প্রদান ,বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রসূতি সেবার মানউন্নয়নে ডেলিভারি বেড বিতরণ, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলাধীন ২১টি ইউনিয়নে ক্লাস্টার ৭টি স্বপ্নযাত্রা এম্বুলেন্স বিতরণ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট,এর নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ বাগবাড়ি গণকবর সংস্কার, ভবানীগঞ্জ পিয়ারাপুর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ আধুনিকায়ন
শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্রসহ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান হোসেন এক বছর চারমাস পূর্ণ করেছেন।
ইমরান হোসেন, লক্ষীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ৩৩ ব্যাচ (বিসিএস)প্রশাসন ক্যাডারের একজন সদস্য, ইতিমধ্যে তার সততা ,কর্মদক্ষতা ও পরিশ্রম দিয়ে উপজেলা মানুষের কাছে প্রিয় ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন।
করোনা ভাইরাসে দেশ যখন বিপর্যয়ের মুখে তখন মাঠ পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনগণের খুব কাছাকাছি যাওয়ায় জনগণের মধ্যে ইউএনওদের প্রভাব, গুরুত্ব ও জনপ্রিয়তার এক নতুন মাত্রা দেখেছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার সচেতন মহল।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে মাত্র এক বছর চারমাসে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সরকারি রুটিন দায়িত্বের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের যে কোনো অনুষ্ঠানে উৎসাহপূর্ণ উপস্থিতিই প্রমাণ করে তিনি কতটা উদার ও মিশুক প্রকৃতির মানুষ। কথাবার্তায় মার্জিত ও আচরণে অত্যন্ত ভদ্র এই মানুষটি মাত্র ১ বছর ৪ মাস সময়ে সদর উপজেলাবাসীর মন জয় করে নিয়েছেন। সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন ইউএনও ইমরান হোসেন।
উপজেলার কয়েকজন ব্যক্তি জানান-একসময় উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও অফিসে সাধারণ মানুষের প্রবেশে কড়াকড়ি থাকায় প্রশাসনের ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ সহজসাধ্য ছিল না। যে কোনো প্রয়োজনে সরকারি সাহায্য পেতে হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিই ছিলেন একমাত্র ভরসা। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতি সাধারণ মানুষের এই দূরত্বের অন্যতম কারণ ছিল অজানা ভয়। কর্মকর্তারাও তাদের অফিস ছাড়া অন্য যে কোনো সম্পর্ক ও যোগাযোগের প্রতি অনীহা থাকায় সাধারণ জনগণের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে ইমরান হোসেন যোগদানের পর থেকে মাঠপর্যায়ের প্রশাসনের সেই চিত্র এখন আর নেই। উপজেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা এখন দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে প্রশাসনের যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়। জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের গড়ে ওঠা এ সম্পর্কই এখন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলাবাসী কাছে বাস্তব চিত্র।










