ভারতীয় উৎপাদনকারীদের সামরিক ড্রোনে চীনা যন্ত্রাংশের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে ভারত। গত কয়েক মাস ধরে এই নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। ভারতের প্রতিরক্ষা ও শিল্প সংশ্লিষ্ট চার কর্মকর্তার বক্তব্য এবং নথি পর্যালোচনায় এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানা গেছে।
দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশের উত্তেজনার মধ্যে এই পদক্ষেপের খবর সামনে আসলো। ভারত নিজের সেনাবাহিনীকে আধুনিক করতে উদ্যোগী হয়েছে। এক্ষেত্রে ড্রোনের বিস্তৃত ব্যবহার বাড়াতে চাইছে দেশটি।
ভারতীয় প্রতিরক্ষা ও শিল্প ব্যক্তিত্বরা বলছেন, ভারতের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন চীনা যন্ত্রাংশ ড্রোনের যোগাযোগ, ক্যামেরা, রেডিও ট্রান্সমিশন ও অপারেটিং সফটওয়্যারে ব্যবহার করলে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ঝুঁকিতে পড়বে।
ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের দুটি বৈঠকের বিবরণী অনুসারে, সম্ভাব্য দরপত্র দাতাদের ভারতীয় সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে এমন দরদাতাদের নিরাপত্তার কারণে যোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে না।
এক সিনিয়র প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন, প্রতিবেশী যে দেশের কথা ইঙ্গিত করা হয়েছে তা হলো চীন। সাইবার হামলা নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও ভারতীয় শিল্প ক্রমশ চীনা নির্ভর হয়ে পড়ছে।
বেইজিং সাইবার হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে আসছে। গত সপ্তাহে চীন কিছু ড্রোন ও ড্রোন সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র চীনের কাছ থেকে কেনা সরঞ্জাম ড্রোনে ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।
ভারতীয় কর্মকর্তারা বলছেন, চীনা নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় ড্রোন উৎপাদন করতে গেলে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। এছাড়া প্রযুক্তিগত শূন্যতাও পূরণ করতে হবে। সূত্র: রয়টার্স
























