১২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে গৃহবধূ হত্যা মামলা, ৯ মাস পর স্বামী গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের সখীপুরে গৃহবধূ সাহিদা বেগমকে (৪০) হত্যার ঘটনায় তার স্বামী সোনা মিয়াকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে হত্যাকান্ডের ৯ মাস পর সাভারের ধামরাই এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর সকালে উপজেলার কৈয়ামধু গ্রামের কারিগরপাড়া এলাকার বাসিন্দা সোনা মিয়া তাঁর স্ত্রী সাহিদাকে নিয়ে লাকড়ি কাটতে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে দেওবাড়ি বনে যান। সেখানে দুজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সোনা মিয়া দা দিয়ে সাহিদাকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যান। এ সময় মাথার মগজ ও ভুঁড়ি বের হয়ে ঘটনাস্থলেই সাহিদার মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই সোনা মিয়া পলাতক ছিলেন।

তিনি উপজেলার কৈয়ামধু গ্রামের কারিগরপাড়া এলাকার মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাহিদার বড় ভাই হাফেজ আলী বাদি হয়ে সখীপুর থানায় মামলা করেন। বিকেল পর্যন্ত তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ সোনা মিয়াকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সাবেক এমপি রমেশ চন্দ্র সেন মারা গেছেন

টাঙ্গাইলে গৃহবধূ হত্যা মামলা, ৯ মাস পর স্বামী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৪:১৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০২৩

টাঙ্গাইলের সখীপুরে গৃহবধূ সাহিদা বেগমকে (৪০) হত্যার ঘটনায় তার স্বামী সোনা মিয়াকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে হত্যাকান্ডের ৯ মাস পর সাভারের ধামরাই এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর সকালে উপজেলার কৈয়ামধু গ্রামের কারিগরপাড়া এলাকার বাসিন্দা সোনা মিয়া তাঁর স্ত্রী সাহিদাকে নিয়ে লাকড়ি কাটতে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে দেওবাড়ি বনে যান। সেখানে দুজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সোনা মিয়া দা দিয়ে সাহিদাকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যান। এ সময় মাথার মগজ ও ভুঁড়ি বের হয়ে ঘটনাস্থলেই সাহিদার মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই সোনা মিয়া পলাতক ছিলেন।

তিনি উপজেলার কৈয়ামধু গ্রামের কারিগরপাড়া এলাকার মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাহিদার বড় ভাই হাফেজ আলী বাদি হয়ে সখীপুর থানায় মামলা করেন। বিকেল পর্যন্ত তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ সোনা মিয়াকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে