বিজনেস বাংলাদেশ/bh
চট্টগ্রামে আনোয়ারা উপজেলা বটতলী রস্তমহাটের শাহ মোহছেন আউলিয়া মাজার সড়কের দীর্ঘদিন কার্পেট উঠে গর্ত হয়ে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সড়কের পানি নিষ্কাশনের জন্য নেই কোন ড্রেন। সামান্য বৃষ্টিতে সড়কের গর্তের পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি ভোগান্তির কারণ হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। এর ফলে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে মাজার জিয়ারতে ভক্তগণ,পথচারী, ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীদের মাঝে।
জানা যায়, উপমহাদেশের অন্যতম অলিকুলের শিরুমনি বার আউলিয়ার সম্রাট হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া (র) মাজার বটতলী রস্তমহাটের অবস্থিত। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তগন মাজারে জিয়ারতের যাওয়ার প্রধান সড়কটি জনদুর্ভোগের শেষ নেই। এছাড়া আনোয়ারার, বটতলী, জুইদন্ডী, বরুমচড়া, রায়পুর, বারশত হাজার হাজার মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে সড়কটি।
সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, সেন্টার মহাল খান কাঁচা বাজারের সামনে সড়কের কার্পেট উঠে সৃষ্টি হয়ে পানি জলাবদ্ধতা বিশাল গর্ত। কিছু দূরে যাওয়া পড়ে কান্তির হাটের বাজারে সড়কটিও খানা-খন্দে কয়েকটি গর্ত। বটতলী রস্তমহাটের গরু বাজার থেকে শাহ মোহছেন আউলিয়া মাজার পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে কার্পেট উঠে কয়েকটি বড় বড় গর্ত পরিনত হয়েছে। বৃষ্টি পানি জলাবদ্ধতা কারণে যানবাহন,পথযাত্রীদের সড়কটি দিয়ে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। সড়কের নেই পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা ভারি বৃষ্টিপাত হলে দোকানে ডুকে যায় পানি।
সোলাইমান খান সোহেল নামে এক যুবক জানান,নাগরদোলা যখন ওপর থেকে নিচের দিকে নামে, তখন এক প্রবল আতঙ্কে বুকের মধ্যে অসম্ভব এক ধুন্ধুমার কাণ্ড চলে।ঠিক তেমন সেন্টার মহান খান বাজার থেকে শাহ মোহছেন আউলিয়া মাজার সড়কে গাড়ি করে যাওয়া সময় এমন ধুন্ধুমার কাণ্ড চলে। অনেক সময় ২ গুণ গাড়ি ভাড়া দিলে সড়কটিতে সিএনজি (অটোরিকশা), মোটর চালিত রিক্সা, ইজিবাইজ গুলো যেতে যাইনা।
আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বটতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএ মান্নান চৌধুরী মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।
সড়কটির বিষয়ে জানতে আনোয়ারা উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী তসলিমা জাহানের মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যমকর্মীদের মুঠোফোন রিসিভ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রকৌশলী বিরুদ্ধে।




















