১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মানিকগঞ্জে স্ত্রীকে মাথা থেঁতলে হত্যা অভিযোগে ইউএনওর অফিস সহায়ক গ্রেপ্তার

স্ত্রীকে মসলা বাটার শিল পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যার অভিযোগ পাওয় গেছে। শনিবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের উকিয়ারা এলাকায় । এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী জাহিদুল ইসলাম কে আটক করেছে পুলিশ।

জাগির ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, নিহত তাসলিমা বেগম মানিকগঞ্জ সদরের উখিয়াড়া গ্রামের আহাম্মেদ আলীর মেয়ে। জাহিদুল ইসলাম একই গ্রামের আখের আলীর ছেলে। তিনি সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে অফিস সহায়ক হিসেবে চাকরি করেন। এই দম্পতি উকিয়ারা গ্রামে নিজ বাড়িতে বসবাস করছেন।

জাগীর ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রাজা মিয়া বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। তারই জের ধরে হয়তো এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে শনিবার রাতে মসলা বাটার শিল পাথর দিয়ে স্ত্রী তাসলিমা আক্তারের মাথায় আঘাত করেন জাহিদুল। ওই সময় তাসলিমার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে জাহিদুল ইসলামকে ধরে ফেলেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তাসলিমার মৃত্যু হয়।

নিহতের ভাই লাল মিয়া বলেন, জাহিদুল ইসলাম তার বাবা-মার সহযোগিতায় আমার বোনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি আবদুর রউফ সরকার বলেন, ‘ওই ঘটনায় নিহতের বাবা আহমদ আলী রোববার সকালে জাহিদুলকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলায় জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।’

জাহিদুল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

মানিকগঞ্জে স্ত্রীকে মাথা থেঁতলে হত্যা অভিযোগে ইউএনওর অফিস সহায়ক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৬:১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

স্ত্রীকে মসলা বাটার শিল পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যার অভিযোগ পাওয় গেছে। শনিবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের উকিয়ারা এলাকায় । এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী জাহিদুল ইসলাম কে আটক করেছে পুলিশ।

জাগির ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, নিহত তাসলিমা বেগম মানিকগঞ্জ সদরের উখিয়াড়া গ্রামের আহাম্মেদ আলীর মেয়ে। জাহিদুল ইসলাম একই গ্রামের আখের আলীর ছেলে। তিনি সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে অফিস সহায়ক হিসেবে চাকরি করেন। এই দম্পতি উকিয়ারা গ্রামে নিজ বাড়িতে বসবাস করছেন।

জাগীর ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রাজা মিয়া বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। তারই জের ধরে হয়তো এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে শনিবার রাতে মসলা বাটার শিল পাথর দিয়ে স্ত্রী তাসলিমা আক্তারের মাথায় আঘাত করেন জাহিদুল। ওই সময় তাসলিমার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে জাহিদুল ইসলামকে ধরে ফেলেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তাসলিমার মৃত্যু হয়।

নিহতের ভাই লাল মিয়া বলেন, জাহিদুল ইসলাম তার বাবা-মার সহযোগিতায় আমার বোনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি আবদুর রউফ সরকার বলেন, ‘ওই ঘটনায় নিহতের বাবা আহমদ আলী রোববার সকালে জাহিদুলকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলায় জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।’

জাহিদুল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ