০৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

রাতেই গভীর নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি রাতের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে বলে ধারণা করছে আবহাওয়া অধিদফতর। এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে নাম হবে ‘মিধিলি।’

আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান ও আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ছেন, আজ রাতের মধ্যেই গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এখন পর্যন্ত গতিপথ অনুযায়ী এটি বাংলাদেশের দিকেই আসছে।

আগামীকাল শুক্রবার দিবাগত রাত অথবা শনিবার ভোরে এটি বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে খুব বড় মাত্রার ঘূর্ণিঝড় হবে না বলেই ধারণা তাদের।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলীয় এলাকা, দ্বীপ এবং চরগুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে। ফলে এসব এলাকায় ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টি হতে পারে। একইসাথে ঢাকাসহ সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে রাত ১টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে থাকা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে অতি দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :

কুষ্টিয়ায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

রাতেই গভীর নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’

প্রকাশিত : ০৬:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি রাতের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে বলে ধারণা করছে আবহাওয়া অধিদফতর। এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে নাম হবে ‘মিধিলি।’

আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান ও আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ছেন, আজ রাতের মধ্যেই গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এখন পর্যন্ত গতিপথ অনুযায়ী এটি বাংলাদেশের দিকেই আসছে।

আগামীকাল শুক্রবার দিবাগত রাত অথবা শনিবার ভোরে এটি বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে খুব বড় মাত্রার ঘূর্ণিঝড় হবে না বলেই ধারণা তাদের।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলীয় এলাকা, দ্বীপ এবং চরগুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে। ফলে এসব এলাকায় ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টি হতে পারে। একইসাথে ঢাকাসহ সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে রাত ১টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে থাকা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে অতি দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh