০৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়নে মিয়ানমারের প্রতি চাপ প্রয়োগে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে জি-৭ নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান।

কুইবেক সিটিতে আউডরিচ লিডার্স কর্মসূচিতে অংশ নেয়া অন্যান্য অতিথীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের সমস্যার মূল মিয়ানমারেই নিহিত এবং তাদেরই এর সমাধান করতে হবে। রোহিঙ্গাদের অবশ্যই তাদের নিজগৃহে ফিরে যেতে হবে, যারা সেখানে শতশত বছর ধরে বসবাস করে আসছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি করেছি। এই প্রক্রিয়া যাতে স্থায়ী ও টেকসই হয় সে জন্য আমরা এতে ইউএনএইচসিআরকে (জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা) অন্তর্ভুক্ত করেছি।’

রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে মিয়ানমার সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ট্যাগ :

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রকাশিত : ১০:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ জুন ২০১৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়নে মিয়ানমারের প্রতি চাপ প্রয়োগে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে জি-৭ নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান।

কুইবেক সিটিতে আউডরিচ লিডার্স কর্মসূচিতে অংশ নেয়া অন্যান্য অতিথীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের সমস্যার মূল মিয়ানমারেই নিহিত এবং তাদেরই এর সমাধান করতে হবে। রোহিঙ্গাদের অবশ্যই তাদের নিজগৃহে ফিরে যেতে হবে, যারা সেখানে শতশত বছর ধরে বসবাস করে আসছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি করেছি। এই প্রক্রিয়া যাতে স্থায়ী ও টেকসই হয় সে জন্য আমরা এতে ইউএনএইচসিআরকে (জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা) অন্তর্ভুক্ত করেছি।’

রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে মিয়ানমার সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।