০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

আম্মানের বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগ করেছিলেন অবন্তিকা

চার মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা। গত বছর ২৪ নভেম্বর আইন বিভাগের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে করা ওই আবেদনে আম্মান সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে উত্যক্ত করা ও হয়রানির অভিযোগ আনেন তিনি। আম্মানের হয়রানি, হুমকির শিকার হচ্ছেন ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেছিলেন।

প্রথম বর্ষে পড়ার সময় আম্মাম অবন্তিকাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন বলে সেই আবেদনে অভিযোগ করা হয়। কিন্তু অবন্তিকা তাতে রাজি হননি। এরপর থেকেই আম্মান উত্যক্ত ও হয়রানি শুরু করেন। হুমকি দেন, তিনি এমন পরিস্থিতি তৈরি করবেন, যাতে অবন্তিকাকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে।

আবেদনপত্রে আরও বলা হয়, ২০২২ সাল থেকে আম্মানের নিপীড়নের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। রাস্তায় চলাফেরার সময়, বিভাগে একা থাকলে আম্মান অবন্তিকাকে ছাদে বা ফাঁকা ক্লাসরুমে নিয়ে যেতে চাইতেন। মেসেঞ্জারে তথ্য ছড়িয়ে অবন্তিকাকে অপদস্থ করার হুমকিও দিতেন। আম্মান তাকে দেখে অশ্লীল মন্তব্য করতেন। এর প্রতিবাদ করলে হুমকি ও নিপীড়ন আরও বাড়ত।

এ বিষয়ে তৎকালীন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, “অবন্তিকা আম্মানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ার পর আমরা তাকে অফিসে ডাকি। আমরা তাকে ডেকে বিস্তারিত শুনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সে আর আমাদের সঙ্গে দেখা করেনি।”

বিজনেস বাংলাদেশ/BH

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁর নিয়ামতপুরে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, তিন ভাটাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

আম্মানের বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগ করেছিলেন অবন্তিকা

প্রকাশিত : ০৪:৫৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪

চার মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা। গত বছর ২৪ নভেম্বর আইন বিভাগের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে করা ওই আবেদনে আম্মান সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে উত্যক্ত করা ও হয়রানির অভিযোগ আনেন তিনি। আম্মানের হয়রানি, হুমকির শিকার হচ্ছেন ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেছিলেন।

প্রথম বর্ষে পড়ার সময় আম্মাম অবন্তিকাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন বলে সেই আবেদনে অভিযোগ করা হয়। কিন্তু অবন্তিকা তাতে রাজি হননি। এরপর থেকেই আম্মান উত্যক্ত ও হয়রানি শুরু করেন। হুমকি দেন, তিনি এমন পরিস্থিতি তৈরি করবেন, যাতে অবন্তিকাকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে।

আবেদনপত্রে আরও বলা হয়, ২০২২ সাল থেকে আম্মানের নিপীড়নের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। রাস্তায় চলাফেরার সময়, বিভাগে একা থাকলে আম্মান অবন্তিকাকে ছাদে বা ফাঁকা ক্লাসরুমে নিয়ে যেতে চাইতেন। মেসেঞ্জারে তথ্য ছড়িয়ে অবন্তিকাকে অপদস্থ করার হুমকিও দিতেন। আম্মান তাকে দেখে অশ্লীল মন্তব্য করতেন। এর প্রতিবাদ করলে হুমকি ও নিপীড়ন আরও বাড়ত।

এ বিষয়ে তৎকালীন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, “অবন্তিকা আম্মানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ার পর আমরা তাকে অফিসে ডাকি। আমরা তাকে ডেকে বিস্তারিত শুনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সে আর আমাদের সঙ্গে দেখা করেনি।”

বিজনেস বাংলাদেশ/BH