০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ

বাঁশখালীর সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সরকারি কোষাগারের ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র সেলিমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর সহকারী পরিচালক আব্দুল মালেক বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
জানতে চাইলে আব্দুল মালেক বলেন, সাবেক পৌর মেয়র সেলিমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও বিভিন্ন কাজের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ পায় দুদক।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ঠিকাদারের মাধ্যমে চারটি দোকান নির্মাণ করে বাঁশখালী পৌরসভা। পরবর্তীতে তৎকালীন পৌর মেয়র সেলিমুল হক চৌধুরী কোনো প্রকার বিজ্ঞপ্তি ও কমিটি না করে নিজ ক্ষমতাবলে এসব দোকান বরাদ্দ দেন। চারটি দোকান বরাদ্দ দিতে তিনি ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে আন-রেজিস্ট্রি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে অগ্রিম ৯ লাখ টাকা আদায় করেন। তবে এসব টাকা পৌরসভার তহবিলে বা সরকারি কোষাগারে জমা দেননি। অর্থাৎ পৌরসভার তহবিলে নির্মিত চারটি দোকান বরাদ্দ দিয়ে ৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন সেলিমুল হক।
এ ছাড়া ২০২৩ সালে পৌরসভার আর্থিক হিসাব থেকে ৭ লাখ টাকা একক স্বাক্ষরে উত্তোলন করেন তিনি। এসব টাকা উত্তোলনের জন্য পৌরসভার অনুমোদন নেওয়া হয়নি এবং পৌরসভার হিসাব শাখায় এ টাকা ব্যয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় সেলিমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে আপত্তি তুলেছে সরকারি অডিট অধিদপ্তরও। এসব অভিযোগের প্রমাণ পেয়ে গতকাল ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে মামলা করে দুদক।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশি চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: স্কোলিওসিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত।

১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ

বাঁশখালীর সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রকাশিত : ০৯:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪
সরকারি কোষাগারের ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র সেলিমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর সহকারী পরিচালক আব্দুল মালেক বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
জানতে চাইলে আব্দুল মালেক বলেন, সাবেক পৌর মেয়র সেলিমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও বিভিন্ন কাজের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ পায় দুদক।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ঠিকাদারের মাধ্যমে চারটি দোকান নির্মাণ করে বাঁশখালী পৌরসভা। পরবর্তীতে তৎকালীন পৌর মেয়র সেলিমুল হক চৌধুরী কোনো প্রকার বিজ্ঞপ্তি ও কমিটি না করে নিজ ক্ষমতাবলে এসব দোকান বরাদ্দ দেন। চারটি দোকান বরাদ্দ দিতে তিনি ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে আন-রেজিস্ট্রি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে অগ্রিম ৯ লাখ টাকা আদায় করেন। তবে এসব টাকা পৌরসভার তহবিলে বা সরকারি কোষাগারে জমা দেননি। অর্থাৎ পৌরসভার তহবিলে নির্মিত চারটি দোকান বরাদ্দ দিয়ে ৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন সেলিমুল হক।
এ ছাড়া ২০২৩ সালে পৌরসভার আর্থিক হিসাব থেকে ৭ লাখ টাকা একক স্বাক্ষরে উত্তোলন করেন তিনি। এসব টাকা উত্তোলনের জন্য পৌরসভার অনুমোদন নেওয়া হয়নি এবং পৌরসভার হিসাব শাখায় এ টাকা ব্যয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় সেলিমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে আপত্তি তুলেছে সরকারি অডিট অধিদপ্তরও। এসব অভিযোগের প্রমাণ পেয়ে গতকাল ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে মামলা করে দুদক।