সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার ৩ দিনেই ক্লুলেস লিচু ব্যবসায়ী হত্যার রহস্য উদঘাটন করে ৬ জনকে আটক করেছে র্যাব-১২ ৷ গত ৬ জুন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২’র আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানাধীন গোলচত্তর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৬ জনকে আটক করেন৷
আটকৃতরা হলেন নাটোর জেলার সাতুরিয়া গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে সাইদুর রহমান (২৮),গাজীপুর গ্রামের মোঃ হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ আজিজুল হক (৪৮),কাঠাল বাড়িয়া গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল হক (৪৫),বড় বাড়িয়া গ্রামের সামছু মিয়ার ছেলে মতিউর রহমান (৪৩),ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার বিটিবাড়ী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে উজ্জল হোসেন (৩৪) ও টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানার কুটিবাড়ী চাঁনপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের মেয়ে সুজন মিয়া (২৯)৷
মামলার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম হেলাল শেখ (৩৬) একজন লিচু ব্যবসায়ী। গত ৩ জুন তারিখে পাবনা জেলার দাশুড়িয়া এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে লিচু ক্রয় করে অজ্ঞাতনামা আরেকজন লিচু ব্যবসায়ীর সাথে একটি ট্রাকযোগে (যার রেজি নং যশোর-ট-১১-২৬২৯) সিরাজগঞ্জের দিকে আসছিলেন।ট্রাকে তারা দুইজন ছাড়াও আরও ৬/৭ জন ব্যক্তি ছিল এবং তারা নিজেদের কে গরু ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দেয়।
পরবর্তীতে রাত্রি ১০ টার সময় নাটোর জেলার কাঁচিকাটা টোলপ্লাজা পার হওয়ার পর উক্ত ব্যক্তিগন খুন ও লিচু আত্মসাতে উদ্দেশ্যে ভিকটিমকে ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে এলোপাতারিভাবে মারপিট করে গুরুতর জখম করে। পরে তাদের উল্লাপাড়া থানার বোয়ালিয়া এলাকায় হাত- পা ও চোখ বেঁধে রাস্তার পাশে ফেলে দেয়। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে, স্থানীয় লোকজন এসে দুইজনকে উদ্ধার করে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে অজ্ঞাতনামা লিচু ব্যবসায়ীকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত হলে সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।ফলশ্রুতিতে হত্যাকারীদের আটক করতে র্যাব-১২ ছায়াতদন্ত শুরু করে আসামিদের আটক করতে সক্ষম হয়।
আটকৃত আসামিদের সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলমান।










