০৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

আমরা সিজারের সংখ্যা কমিয়ে আনতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, গর্ভবতী মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা যত কমিয়ে আনা যায় ততই মঙ্গল। আমরা সেই সংখ্যা কমিয়ে আনতে চাই।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে আয়োজিত উদ্বোধনী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আপনারা যারা গ্রামপর্যায়ে কাজ করেন, তাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ আপনারা গর্ভবতী মায়েদের বোঝান, তারা যাতে ঠিকমতো চেক আপ করেন, নিয়মিত কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকটা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে গিয়ে সবার আগে আমি যেটা দেখি সেটা হচ্ছে এএনসি কর্নার। আমি খোঁজ নিয়ে দেখি গর্ভবতী মায়েরা কয়টা করে চেকআপ করছেন, কোথায় ইনস্টিটিউশনাল ডেলিভারি হচ্ছে, কোথায় সিজারিয়ান বেশি হচ্ছে। অনেক জায়গায় বলেন আগে সিজার হয়েছে তাই সিজার করতে হবে। সেটা কোনো উত্তর হতে পারে না। আগে সিজার কেন হলো-এর কারণ খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আন্তরিক হলে সিজারের সংখ্যা অবশ্যই কমিয়ে নিয়ে আসতে পারব।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আজিজুর রহমান, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিভাবেন্দ্র সিং রঘুবংশী, পরিবার কল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনম আল ফিরোজ প্রমুখ।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :

আমরা সিজারের সংখ্যা কমিয়ে আনতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৩:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, গর্ভবতী মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা যত কমিয়ে আনা যায় ততই মঙ্গল। আমরা সেই সংখ্যা কমিয়ে আনতে চাই।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে আয়োজিত উদ্বোধনী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আপনারা যারা গ্রামপর্যায়ে কাজ করেন, তাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ আপনারা গর্ভবতী মায়েদের বোঝান, তারা যাতে ঠিকমতো চেক আপ করেন, নিয়মিত কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকটা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে গিয়ে সবার আগে আমি যেটা দেখি সেটা হচ্ছে এএনসি কর্নার। আমি খোঁজ নিয়ে দেখি গর্ভবতী মায়েরা কয়টা করে চেকআপ করছেন, কোথায় ইনস্টিটিউশনাল ডেলিভারি হচ্ছে, কোথায় সিজারিয়ান বেশি হচ্ছে। অনেক জায়গায় বলেন আগে সিজার হয়েছে তাই সিজার করতে হবে। সেটা কোনো উত্তর হতে পারে না। আগে সিজার কেন হলো-এর কারণ খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আন্তরিক হলে সিজারের সংখ্যা অবশ্যই কমিয়ে নিয়ে আসতে পারব।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আজিজুর রহমান, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিভাবেন্দ্র সিং রঘুবংশী, পরিবার কল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনম আল ফিরোজ প্রমুখ।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে