০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফ্যাসিবাদ কায়দায় কাজ করছে সীতাকুণ্ডের ওসি, প্রতিবাদ সভায় বিএনপি নেতারা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিনকে হত্যা, সেই মামলায় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সত্যিকারের অপরাধীদের রক্ষা করে বাড়বকুণ্ড ও মুরাদপুর ইউনিয়ন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের গ্রেপ্তারকৃত নেতাদের মুক্তি এবং বিএনপির সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক লায়ন আসলাম চৌধুরী’র বক্তব্যের অপব্যাখার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিকাল ৩টায় পৌরসদরের উত্তর বাজারে সীতাকুণ্ড উপজেলা ও পৌরসভা যুবদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে উক্ত প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
সীতাকুণ্ড উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক সাহাব উদ্দিন রাজুর সভাপতিত্বে ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিন বাবর এবং পৌর যুবদলের সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন এর যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ কমল কদর।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাঃ কমল কদর বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসক বিদায় হয়েছে ঠিকই কিন্তু ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা আজও সর্বত্র বহাল তবিয়তে রয়ে গেছে। সীতাকুণ্ডের কৃষক দল নেতা নাসির উদ্দিন হত্যা ধামাচাপা দিতে ওঠে পড়ে লেগেছে একটি চিহ্নিত মহল। আর তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নেই যেন কাজ করছেন সীতাকুণ্ডের ওসি মজিবুর রহমান। তিনি নাসির হত্যাকান্ডের পর তরিঘড়ি করে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে যুবদল ও সেচ্ছাসেবক দলের চার নেতাকে গ্রেপ্তার করেছেন। এতে করে একদিকে নাসিরের প্রকৃত খুনিদের আড়াল করা হয়েছে অন্যদিকে নিরীহ বিএনপি নেতাদের গ্রেপ্তার করে দলের সুনাম ক্ষুন্ন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মুরসালিন বলেন, ফ্যাসিবাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে সীতাকুণ্ডের ওসি এসি রুমে বসে হত্যা মামলার আসামী ধরছেন। একটি হত্যা মামলায় যেভাবে তদন্ত হওয়া দরকার নাসির হত্যা মামলায় তা করা হয়নি। মামলা দায়েরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুবদল ও সেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করছি এবং নাসির হত্যা মামলায় প্রকত আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসি দাবী করছি।
নিহত নাসির উদ্দিনের স্ত্রী মোমেনা বেগম তার বক্তব্যে বলেন, আমার স্বামী হত্যার ঘটনায় আমি যাকে সন্দেহ করেছি তার নাম মামলায় উল্লেখ করেছি। কিন্তু বাকিদের নাম কিভাবে মামলায় আসলো তা আমার জানা নেই।
অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী মহিউদ্দিন, পৌর বিএনপির আহবায়ক জাকির হোসেন, সদস্য সচিব সালেহ আহমেদ সলু, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ইউসুপ নিজামী, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য জহুরুল আলম জহুর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন দুলাল, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মুরসালিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহের উদ্দিন আশরাফ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আওরঙ্গজেব মোস্তফা, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক ফজলুল করিম চৌধুরী।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী এনামুল বারী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আইনুল কামাল, বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মাসুম, সৈয়দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন, সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মনসন আলী, সহ-সভাপতি মোঃ মহসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সৈকত হোসেন, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, পৌর কাউন্সিলর শাসছুল আলম আজাদ, আসলাম চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী মঞ্জুরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মোঃ ইসমাঈল হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক রোকন উদ্দিন মেম্বার, হারুন উর রশিদ ইব্রাহীম, লিয়াকত চৌধুরী জুয়েল, সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আলাউদ্দিন মনি, সাবেক সভাপতি সোলাইমান রাজ, পৌর যুবদলের আহবায়ক অমলেন্দু কনক, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন রেজা, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী সাহেদ, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সিরাজী, সাধারণ সম্পাদক কামরুল হোসেন বাবলু, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী এডভোকেট রওশন আরা, সাধারণ সম্পাদিকা নাজমুন নাহার নেলী, পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী মাসুদা খায়েরসহ নয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
প্রতিবাদ সভা শেষে কয়েক হাজার নেতাকর্মীর একটি বিক্ষোভ মিছিল উত্তর বাজার থেকে শুরু হয়ে পৌরসদরের ডিউটি রোড পদক্ষিণ করে পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
উল্লেখ্য যে, গত ২৬ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের হাতিলোটা গ্রামের নিজ বাড়ীর পাশে ছরারকূল এলাকায় গলা কেটে হত্যা করা হয় সীতাকুণ্ড উপজেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিনকে। হত্যাকান্ডের দুই দিন পর ৮ জনকে আসামী করে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নাসিরের স্ত্রী মোমেনা বেগম। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে থানায় চায়ের দাওয়াত দিয়ে যুবদল ও সেচ্ছাসেবক দলের চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ট্যাগ :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

ফ্যাসিবাদ কায়দায় কাজ করছে সীতাকুণ্ডের ওসি, প্রতিবাদ সভায় বিএনপি নেতারা

প্রকাশিত : ০৮:১০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিনকে হত্যা, সেই মামলায় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সত্যিকারের অপরাধীদের রক্ষা করে বাড়বকুণ্ড ও মুরাদপুর ইউনিয়ন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের গ্রেপ্তারকৃত নেতাদের মুক্তি এবং বিএনপির সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক লায়ন আসলাম চৌধুরী’র বক্তব্যের অপব্যাখার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিকাল ৩টায় পৌরসদরের উত্তর বাজারে সীতাকুণ্ড উপজেলা ও পৌরসভা যুবদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে উক্ত প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
সীতাকুণ্ড উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক সাহাব উদ্দিন রাজুর সভাপতিত্বে ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিন বাবর এবং পৌর যুবদলের সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন এর যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ কমল কদর।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাঃ কমল কদর বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসক বিদায় হয়েছে ঠিকই কিন্তু ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা আজও সর্বত্র বহাল তবিয়তে রয়ে গেছে। সীতাকুণ্ডের কৃষক দল নেতা নাসির উদ্দিন হত্যা ধামাচাপা দিতে ওঠে পড়ে লেগেছে একটি চিহ্নিত মহল। আর তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নেই যেন কাজ করছেন সীতাকুণ্ডের ওসি মজিবুর রহমান। তিনি নাসির হত্যাকান্ডের পর তরিঘড়ি করে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে যুবদল ও সেচ্ছাসেবক দলের চার নেতাকে গ্রেপ্তার করেছেন। এতে করে একদিকে নাসিরের প্রকৃত খুনিদের আড়াল করা হয়েছে অন্যদিকে নিরীহ বিএনপি নেতাদের গ্রেপ্তার করে দলের সুনাম ক্ষুন্ন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মুরসালিন বলেন, ফ্যাসিবাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে সীতাকুণ্ডের ওসি এসি রুমে বসে হত্যা মামলার আসামী ধরছেন। একটি হত্যা মামলায় যেভাবে তদন্ত হওয়া দরকার নাসির হত্যা মামলায় তা করা হয়নি। মামলা দায়েরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুবদল ও সেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করছি এবং নাসির হত্যা মামলায় প্রকত আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসি দাবী করছি।
নিহত নাসির উদ্দিনের স্ত্রী মোমেনা বেগম তার বক্তব্যে বলেন, আমার স্বামী হত্যার ঘটনায় আমি যাকে সন্দেহ করেছি তার নাম মামলায় উল্লেখ করেছি। কিন্তু বাকিদের নাম কিভাবে মামলায় আসলো তা আমার জানা নেই।
অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী মহিউদ্দিন, পৌর বিএনপির আহবায়ক জাকির হোসেন, সদস্য সচিব সালেহ আহমেদ সলু, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ইউসুপ নিজামী, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য জহুরুল আলম জহুর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন দুলাল, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মুরসালিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহের উদ্দিন আশরাফ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আওরঙ্গজেব মোস্তফা, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক ফজলুল করিম চৌধুরী।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী এনামুল বারী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আইনুল কামাল, বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মাসুম, সৈয়দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন, সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মনসন আলী, সহ-সভাপতি মোঃ মহসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সৈকত হোসেন, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, পৌর কাউন্সিলর শাসছুল আলম আজাদ, আসলাম চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী মঞ্জুরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মোঃ ইসমাঈল হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক রোকন উদ্দিন মেম্বার, হারুন উর রশিদ ইব্রাহীম, লিয়াকত চৌধুরী জুয়েল, সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আলাউদ্দিন মনি, সাবেক সভাপতি সোলাইমান রাজ, পৌর যুবদলের আহবায়ক অমলেন্দু কনক, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন রেজা, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী সাহেদ, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সিরাজী, সাধারণ সম্পাদক কামরুল হোসেন বাবলু, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী এডভোকেট রওশন আরা, সাধারণ সম্পাদিকা নাজমুন নাহার নেলী, পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী মাসুদা খায়েরসহ নয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
প্রতিবাদ সভা শেষে কয়েক হাজার নেতাকর্মীর একটি বিক্ষোভ মিছিল উত্তর বাজার থেকে শুরু হয়ে পৌরসদরের ডিউটি রোড পদক্ষিণ করে পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
উল্লেখ্য যে, গত ২৬ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের হাতিলোটা গ্রামের নিজ বাড়ীর পাশে ছরারকূল এলাকায় গলা কেটে হত্যা করা হয় সীতাকুণ্ড উপজেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিনকে। হত্যাকান্ডের দুই দিন পর ৮ জনকে আসামী করে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নাসিরের স্ত্রী মোমেনা বেগম। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে থানায় চায়ের দাওয়াত দিয়ে যুবদল ও সেচ্ছাসেবক দলের চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।