০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা শুরু, সপরিবারে এলেন তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে রাজধানীতে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই শোকসভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর গড়ানোর আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামতে শুরু করেছে।

এ শোকসভায় কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা মঞ্চে বক্তব্য দেবেন না। তবে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, গবেষক, চিকিৎসক, শিক্ষক, ধর্মীয় প্রতিনিধি, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশাজীবী নেতারা শোকবক্তব্য দেবেন।

শোকসভায় সভাপতিত্ব করছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন। উপস্থাপনা করছেন আশরাফ কায়সার এবং কাজী জেসিন।

এর আগে, সপরিবারে শোকসভাস্থলে আসেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে রয়েছে, স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং ছোট আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান।

নাগরিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই শোকসভায় অংশ নিতে এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী এবং ধর্মীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন। শোকসভার প্রস্তুতি সম্পর্কে অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ জানিয়েছেন, এটি কোনো রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, বরং দেশবাসীর সম্মিলিত শোকের বহিঃপ্রকাশ।

অনুষ্ঠানটিকে গাম্ভীর্যপূর্ণ রাখতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ব্যবস্থা।

শোকের মর্যাদা রক্ষায় সভাস্থলে সেলফি তোলা, স্লোগান দেওয়া বা হাততালি দেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেওয়া হচ্ছে না; সবাইকে নির্ধারিত আসনে বসে শোকসভায় অংশ নিতে দেখা যাচ্ছে। কেবল আমন্ত্রণপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে সুশৃঙ্খলভাবে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ডিএস./

জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা শুরু, সপরিবারে এলেন তারেক রহমান

প্রকাশিত : ০৩:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে রাজধানীতে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই শোকসভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর গড়ানোর আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামতে শুরু করেছে।

এ শোকসভায় কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা মঞ্চে বক্তব্য দেবেন না। তবে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, গবেষক, চিকিৎসক, শিক্ষক, ধর্মীয় প্রতিনিধি, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশাজীবী নেতারা শোকবক্তব্য দেবেন।

শোকসভায় সভাপতিত্ব করছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন। উপস্থাপনা করছেন আশরাফ কায়সার এবং কাজী জেসিন।

এর আগে, সপরিবারে শোকসভাস্থলে আসেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে রয়েছে, স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং ছোট আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান।

নাগরিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই শোকসভায় অংশ নিতে এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী এবং ধর্মীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন। শোকসভার প্রস্তুতি সম্পর্কে অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ জানিয়েছেন, এটি কোনো রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, বরং দেশবাসীর সম্মিলিত শোকের বহিঃপ্রকাশ।

অনুষ্ঠানটিকে গাম্ভীর্যপূর্ণ রাখতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ব্যবস্থা।

শোকের মর্যাদা রক্ষায় সভাস্থলে সেলফি তোলা, স্লোগান দেওয়া বা হাততালি দেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেওয়া হচ্ছে না; সবাইকে নির্ধারিত আসনে বসে শোকসভায় অংশ নিতে দেখা যাচ্ছে। কেবল আমন্ত্রণপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে সুশৃঙ্খলভাবে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ডিএস./