০৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

গাজায় তুরস্ক ও কাতার সেনাদের স্থান হবে না: নেতানিয়াহু

২০২৫ সালে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে এখন আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে। যেখানে বিভিন্ন দেশের সেনারা থাকার কথা রয়েছে। তবে, এই বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের কোনো স্থান দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এএফপি ও দ্য টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গাজা উপত্যকায়, আমরা ট্রাম্প পরিকল্পনার (যুদ্ধবিরতি) দ্বিতীয় ধাপে রয়েছি। দ্বিতীয় ধাপে হামাস ও গাজাকে নিরস্ত্র করা হবে। সেটা করতে গাজায় তুরস্ক ও কাতার সেনাদের স্থান দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন এই দুই দেশ যুদ্ধপরবর্তী গাজা পরিচালনার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক গঠিত বিভিন্ন সংস্থায় ‘কোনও কর্তৃত্ব বা প্রভাব’ রাখা হবে না।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকেও জোর দিয়ে বলা হয়েছে, যুদ্ধের পর তুরস্ক বা কাতারকে গাজায় কোনও অবস্থান তৈরি করতে দেবে না ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গাজায় হামাসকে নিরস্ত্র করা হবে এবং ইরান যদি ইসরায়েলে আক্রমণ করে তবে তাদের কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত করা হবে।

উল্লেখ্য, গাজায় কোন কোন দেশ সেনা পাঠাবে সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। যেসব দেশের সেনা আসবে তারা মূলত গাজার সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা এবং নতুন একটি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।

ডিএস,.

ফাঁকিকৃত ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর আদায় করলো আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

গাজায় তুরস্ক ও কাতার সেনাদের স্থান হবে না: নেতানিয়াহু

প্রকাশিত : ১২:০৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৫ সালে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে এখন আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে। যেখানে বিভিন্ন দেশের সেনারা থাকার কথা রয়েছে। তবে, এই বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের কোনো স্থান দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এএফপি ও দ্য টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গাজা উপত্যকায়, আমরা ট্রাম্প পরিকল্পনার (যুদ্ধবিরতি) দ্বিতীয় ধাপে রয়েছি। দ্বিতীয় ধাপে হামাস ও গাজাকে নিরস্ত্র করা হবে। সেটা করতে গাজায় তুরস্ক ও কাতার সেনাদের স্থান দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন এই দুই দেশ যুদ্ধপরবর্তী গাজা পরিচালনার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক গঠিত বিভিন্ন সংস্থায় ‘কোনও কর্তৃত্ব বা প্রভাব’ রাখা হবে না।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকেও জোর দিয়ে বলা হয়েছে, যুদ্ধের পর তুরস্ক বা কাতারকে গাজায় কোনও অবস্থান তৈরি করতে দেবে না ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গাজায় হামাসকে নিরস্ত্র করা হবে এবং ইরান যদি ইসরায়েলে আক্রমণ করে তবে তাদের কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত করা হবে।

উল্লেখ্য, গাজায় কোন কোন দেশ সেনা পাঠাবে সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। যেসব দেশের সেনা আসবে তারা মূলত গাজার সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা এবং নতুন একটি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।

ডিএস,.