০৩:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

আশা বাঁচিয়ে রাখল বার্সা, শেষ ষোলোয় বায়ার্ন

ছবি সংগৃহীত

পিছিয়ে পড়েও দারুণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল বার্সেলোনা। স্লাভিয়া প্রাগার বিপক্ষে তাদের মাঠেই ৪-২ গোলের জয় পেয়েছে কাতালানরা।

লা লিগায় হারের হতাশা ভুলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে স্লাভিয়া প্রাগা বিপক্ষে মাঠে নামে বার্সেলোনা। তবে খেলার ধারার বিপরীতে ম্যাচের দশ মিনিটে ভাসিলের গোলে এগিয়ে যায় স্লাভিয়া। এরপর একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে লেভা-রাফিনহারা। যার ফল মেলে ৩৪ মিনিটে। ফেরমিন লোপেজের গোলে সমতায় ফেরে বার্সা। এর ৮ মিনিট পরই আবারও লোপেজের কল্যাণে এগিয়ে যায় কাতালানরা। কিন্তু বিরতির আগে গোল হজম করে বসে।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬২ মিনিটে দুর্দান্ত গোলে দলকে এগিয়ে নেন দানি ওলমো। এরপর ৭০ মিনিটে স্কোরলাইন ৪-২ করেন লেভানদোভস্কি। শুরুর ধাক্কা সামলে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কাতালানরা। এই জয়ে সরাসরি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল হান্সি ফ্লিকের দল।

অপর ম্যাচে সহজ জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোও নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর বায়ার্ন ডেডলক ভাঙ্গে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই। মাইকেল ওলিসের কর্নারে হেডে প্রতিপক্ষের জাল কাঁপান হ্যারি কেইন। এর দুই মিনিট পরই আবারও প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভীতি ছড়ান কেইন। কিন্তু সেই আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে ইউনিয়ঁ সাঁ জিলোয়াজের ডি বক্সে ফাউলের শিকার হন ইংলিশ স্ট্রাইকার। স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কেইন। ৬৩তম মিনিটে বাজে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে বায়ার্নের দক্ষিণ কোরিয়ান ডিফেন্ডার কিম মাঠ ছাড়লে দশ জনের দলে পরিণত হয় বাভারিয়ানরা। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হলে শীর্ষ আট নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন মিউনিখ।

রাতের ম্যাচ শেষে ৭ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়তে রয়েছে ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। শীর্ষে থাকা আর্সেনালের চেয়ে বায়ার্ন পিছিয়ে ৩ পয়েন্টে।

এদিকে, শুরু থেকেই ধীরগতির ফুটবলের দেখা মেলে লিভারপুল ও মার্সেইয়ের ম্যাচে। ১৯ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে অল রেডরা। চার মিনিট পর ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে জালে বল পাঠান উগো একিতিকে। কিন্তু এই ফরাসি ফরোয়ার্ড অফসাইডে থাকায় গোল পায়নি লিভারপুল। বিরতির এক মিনিট আগে সোবোসলাইয়ের বুদ্ধিদীপ্ত গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্লটের দল।

তবে ৭২ মিনিটে আত্মঘাতী গোল হজম করে আরও পিছিয়ে পড়ে মার্সেই। এর ১১ মিনিট পর গোলরক্ষককে একা পেয়েও জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হন মোহাম্মদ সালাহ। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন গাকপো।

মাঝে কিছুটা পথ হারালেও আবারও ছন্দে ফিরেছে আর্নে স্লটের দল। এই জয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন টানা ১৩ ম্যাচ অপরাজিত লিভারপুল। চ্যাম্পিয়নস লিগেও শেষ ষোলোর কক্ষপথে আছে তারা।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান

আশা বাঁচিয়ে রাখল বার্সা, শেষ ষোলোয় বায়ার্ন

প্রকাশিত : ১২:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

পিছিয়ে পড়েও দারুণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল বার্সেলোনা। স্লাভিয়া প্রাগার বিপক্ষে তাদের মাঠেই ৪-২ গোলের জয় পেয়েছে কাতালানরা।

লা লিগায় হারের হতাশা ভুলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে স্লাভিয়া প্রাগা বিপক্ষে মাঠে নামে বার্সেলোনা। তবে খেলার ধারার বিপরীতে ম্যাচের দশ মিনিটে ভাসিলের গোলে এগিয়ে যায় স্লাভিয়া। এরপর একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে লেভা-রাফিনহারা। যার ফল মেলে ৩৪ মিনিটে। ফেরমিন লোপেজের গোলে সমতায় ফেরে বার্সা। এর ৮ মিনিট পরই আবারও লোপেজের কল্যাণে এগিয়ে যায় কাতালানরা। কিন্তু বিরতির আগে গোল হজম করে বসে।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬২ মিনিটে দুর্দান্ত গোলে দলকে এগিয়ে নেন দানি ওলমো। এরপর ৭০ মিনিটে স্কোরলাইন ৪-২ করেন লেভানদোভস্কি। শুরুর ধাক্কা সামলে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কাতালানরা। এই জয়ে সরাসরি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল হান্সি ফ্লিকের দল।

অপর ম্যাচে সহজ জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোও নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর বায়ার্ন ডেডলক ভাঙ্গে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই। মাইকেল ওলিসের কর্নারে হেডে প্রতিপক্ষের জাল কাঁপান হ্যারি কেইন। এর দুই মিনিট পরই আবারও প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভীতি ছড়ান কেইন। কিন্তু সেই আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে ইউনিয়ঁ সাঁ জিলোয়াজের ডি বক্সে ফাউলের শিকার হন ইংলিশ স্ট্রাইকার। স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কেইন। ৬৩তম মিনিটে বাজে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে বায়ার্নের দক্ষিণ কোরিয়ান ডিফেন্ডার কিম মাঠ ছাড়লে দশ জনের দলে পরিণত হয় বাভারিয়ানরা। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হলে শীর্ষ আট নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন মিউনিখ।

রাতের ম্যাচ শেষে ৭ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়তে রয়েছে ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। শীর্ষে থাকা আর্সেনালের চেয়ে বায়ার্ন পিছিয়ে ৩ পয়েন্টে।

এদিকে, শুরু থেকেই ধীরগতির ফুটবলের দেখা মেলে লিভারপুল ও মার্সেইয়ের ম্যাচে। ১৯ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে অল রেডরা। চার মিনিট পর ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে জালে বল পাঠান উগো একিতিকে। কিন্তু এই ফরাসি ফরোয়ার্ড অফসাইডে থাকায় গোল পায়নি লিভারপুল। বিরতির এক মিনিট আগে সোবোসলাইয়ের বুদ্ধিদীপ্ত গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্লটের দল।

তবে ৭২ মিনিটে আত্মঘাতী গোল হজম করে আরও পিছিয়ে পড়ে মার্সেই। এর ১১ মিনিট পর গোলরক্ষককে একা পেয়েও জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হন মোহাম্মদ সালাহ। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন গাকপো।

মাঝে কিছুটা পথ হারালেও আবারও ছন্দে ফিরেছে আর্নে স্লটের দল। এই জয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন টানা ১৩ ম্যাচ অপরাজিত লিভারপুল। চ্যাম্পিয়নস লিগেও শেষ ষোলোর কক্ষপথে আছে তারা।

ডিএস./