১০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জে ৪শ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ, দুইজনের কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর চরাঞ্চল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাচারের সময় প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল শুক্রবার গভীর রাতে নদীর ঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। রাত ১২টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত অবস্থান নিয়ে তারা সন্দেহভাজন একটি চালান আটক করে। পরে জব্দকৃত মাংস পরীক্ষা করে তা ঘোড়ার মাংস বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো অসাধু কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। খাদ্যে ভেজাল ও অবৈধ মাংস পাচারের সঙ্গে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

জব্দকৃত মাংস আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাসভাড়া কত বাড়বে জানা যাবে বৃহস্পতিবার

সিরাজগঞ্জে ৪শ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ, দুইজনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ০৬:৩৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর চরাঞ্চল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাচারের সময় প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল শুক্রবার গভীর রাতে নদীর ঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। রাত ১২টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত অবস্থান নিয়ে তারা সন্দেহভাজন একটি চালান আটক করে। পরে জব্দকৃত মাংস পরীক্ষা করে তা ঘোড়ার মাংস বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো অসাধু কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। খাদ্যে ভেজাল ও অবৈধ মাংস পাচারের সঙ্গে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

জব্দকৃত মাংস আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ডিএস./