দুদক ১ম অভিযানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, মাগুরা-তে ওষুধ, কেমিক্যাল ও চিকিৎসাসামগ্রী ক্রয়ে প্রায় ৫ কোটি টাকার দুর্নীতি এবং চিকিৎসাসেবা প্রদানে হয়রানিসহ নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঝিনাইদহ হতে আজ একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে সরেজমিনে হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের সাথে কথা বলে ডাক্তার ও নার্সদের সেবা প্রদানের মান, সরবরাহকৃত ওষুধ, খাবারের মান পর্যবেক্ষণ করে হাসপাতালের সার্বিক সেবার অবস্থা জানার চেষ্টা করা হয়।
এ সময় হাসপাতালটির বিভিন্ন ওয়ার্ড, প্যাথলজি বিভাগ, স্টোর রুম, ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থা, রান্নাঘর পরিদর্শন করে টিম। প্রাথমিক পর্যালোচনায় চিকিৎসাসেবা প্রদানের বিষয়ে কিছু অনিয়ম পরিলক্ষিত করে দুদক টিম।
প্রাপ্ত অনিয়মসমূহ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে অবহিত করে অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়। এছাড়াও অভিযানকালে হাসপাতালের টেন্ডার সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। রেকর্ডপত্র পর্যালোচনাপূর্বক টিম কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে।
দুদকের ২য় অভিযান মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী- মহেন্দ্রদী ইউনিয়নের ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কালিবাড়ি খাল উপ-প্রকল্প পুনঃখননে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বরাদ্দকৃত টাকার ১০% কাজও না করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, মাদারীপুর থেকে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে এনফোর্সমেন্ট টিম সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে বর্ণিত খাল পরিদর্শন করে, স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে এবং রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে। রেকর্ডপত্র বিস্তারিতরূপে পর্যালোচনাপূর্বক টিম কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে।
দুদক ৩য় অভিযানে রাজউকের প্লট বরাদ্দে জালিয়াতি, ঘুস লেনদেন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয় হতে ২ দিনব্যাপি (২৪-০২-২০৫ ও ২৫-০২-২০২৫)
এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্লটের রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয় এবং প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করা হয়।
সংগৃহীত নথিপত্রের যাচাইয়ে প্রতীয়মান হয় যে, রাজউক কর্তৃক নিকুঞ্জ-২, উত্তরা আবাসিক এলাকাসহ বেশ কিছু অভিজাত এলাকায় প্লট বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ঘুস গ্রহণের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা রয়েছে। রেকর্ডপত্রের আলোকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত টিম কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে।
ডিএস./



















