ইরান দুই মাসেরও বেশি সময় পর রাজধানী থেকে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর বন্ধ হয়ে যাওয়া ফ্লাইটগুলো শনিবার থেকে আবার চালু হয় বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইস্তাম্বুল, মাস্কাট এবং সৌদি আরবের মদিনার উদ্দেশ্যে ফ্লাইট ছেড়ে যায়। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ইরান এয়ার ৫৬ দিন পর তেহরান থেকে মাশহাদে প্রথম ফ্লাইট পরিচালনা করেছে বলে জানিয়েছে ইরনা।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিগগির বাকু, নাজাফ, বাগদাদ ও দোহাসহ আরও কয়েকটি গন্তব্যে ফ্লাইট চালু করা হবে। ইরান এয়ারপোর্টস অ্যান্ড এয়ার ন্যাভিগেশন কোম্পানির প্রধান মোহাম্মদ আমিরানি বলেন, দেশের পূর্বাঞ্চল—যা তুর্কমেনিস্তান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তঘেঁষা—সেখানে অভ্যন্তরীণ ও ট্রানজিট ফ্লাইটকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এছাড়া মাশহাদ, জাহেদান, কেরমান, ইয়াজদ ও বিরজান্দের মতো প্রাদেশিক বিমানবন্দরগুলোকে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে নতুন করে রুট নির্ধারণ এবং ট্রানজিট ফ্লাইট ফিরিয়ে আনতেও আলোচনা চলছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাজার হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন। যদিও কাতার ও আমিরাত ধীরে ধীরে তাদের আকাশসীমা খুলে দেয়, তবুও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থার কারণে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কাও বাড়ছে, যা বৈশ্বিক বিমান চলাচলে নতুন চাপ তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
সূত্র: আল-জাজিরা





















