০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

সীতাকুণ্ডের রাজপথে যে দুর্বার আন্দোলন গড়ে উঠেছিল তার আসল কৃতিত্ব আমার নয়, বরং আপামর জনগণের- আসলাম চৌধুরী

আমি আপনাদের মত একজন জিয়া পরিবারের সদস্য। মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন ২০১৩/১৪ সালের বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সীতাকুণ্ডের রাজপথে যে অভূতপূর্ব ও দুর্বার আন্দোলন গড়ে উঠেছিল-যা সমগ্র বাংলাদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল-তার আসল কৃতিত্ব আমার নয়, বরং সীতাকুণ্ডের আপামর জনগণের।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে সীতাকুণ্ড পৌরসদরস্থ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত তার দ্বিতীয় কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম- ৪ আসনে জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত এমপি ও চেয়ারপার্সনের সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব মোঃ আসলাম চৌধুরী এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেও আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছি। সীতাকুণ্ডবাসীকে নিয়ে দুর্বার আন্দোলনের ফলে সংসদে শেখ হাসিনা আমার নাম ধরে একাধিকবার বলেছেন, এই আন্দোলন আসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে জোরালো হচ্ছে। আন্দোলন দমাতে আমাকে দীর্ঘ সময় কারাগারে আটকে রাখা হয়েছিল।” তবে দমে যায়নি কারাগারে থেকেও সংগ্রাম চালিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, “কারাগারে থেকে জামায়াতে ইসলামীসহ যারা স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাদের কারাগার থেকে মুক্ত করার ব্যবস্থা করেছি।”

তিনি বলেন, চরম প্রতিকূলতা ও দমন-পীড়নের মধ্যেও সীতাকুণ্ডের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসে যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে। জনগণের এই ঐক্য ও ত্যাগই আন্দোলনের মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। আমাদের আন্দোলন কিন্তু এখনো শেষ হয়নি কারণ স্বৈরাচারীরা ভিন্ন কৌশলে গুপ্ত নামক একটি দলের আশ্রয় প্রশ্রয়ে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে জিয়া পরিবার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। সুতরাং যতদিন এই রাষ্ট্র ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হবে ততদিন আমরা তথা এই সীতাকুণ্ডের মানুষ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো ইনশাহআল্লাহ।”

নির্বাচনের পর তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরূপ আচরণ নিয়ে আসলাম চৌধুরী বলেন, জামায়াতের প্রার্থী তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের পর কোনো এক দিক থেকে অর্থের জোগান পেয়ে তা আবার চালু করেছেন। তবে কীভাবে বা কার মাধ্যমে ওই অর্থের জোগান দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

তিনি বলেন, জামায়াতের প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে, আবার মামলা উইথড্রও করেছে। আবার কোন দিক থেকে অর্থের যোগান পেয়ে মামলা রি-কল করেছে। এর চেয়ে বেশি কিছু আর বলতে চাই না। তবে প্রতিপক্ষের প্রতি কোনো ধরনের বিরূপ আচরণ না করার কথা জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, তবুও আমরা কারো প্রতি বিরূপ আচরণ করতে চাই না। কোনো বিরোধী দলীয় নেতাকে জেলে পুরানোর জন্য প্রশাসনকে কুপরামর্শ দিই না। সামনের দিনগুলোতেও দেব না।

জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, আপনারা যতই আহাজারি করেন, বিনা ভোটে এমপি হওয়ার সেই শখ কখনও পূরণ হবে না। জনগণের রায় আপনারা পেয়েছেন। জনগণের রায়কে শ্রদ্ধা করতে শিখুন। পিছনের দরজা দিয়ে জনগণের কাজ করা যায় না।

চট্টগ্রাম-৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচনের পরও আলোচনায় রয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী এ আসন থেকে বিজয়ী হন। তবে পরে তার প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয় এবং এখনও পর্যন্ত তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।

অনুষ্ঠানে নিজের ঋণের প্রসঙ্গও তোলে আসলাম চৌধুরী বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার মেয়ের একটি পোস্ট দেশ-বিদেশে ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে সে লিখেছিল, ‘তার বাবা (আসলাম চৌধুরি) যদি তিন বছর সময় পাই, সব ঋণ শোধ করে দেব।’ তাই আমার প্রত্যাশা, দুই বছর অতিবাহিত হয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য গুছিয়ে সব ঋণ শোধ করে দিতে পারব।”

এ সময় তিনি শীঘ্রই আইনি জটিলতা কাটিয়ে সীতাকুণ্ডকে সারাদেশে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে দাঁড় করাতে চান।

উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদর, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জহুরুল আলম জহুর, যুগ্ম-আহ্বায়ক সালামত উল্ল্যাহ, সদস্য সচিব মোঃ মোরছালিন, যুগ্ম-সদস্য সচিব ফজলুল করিম চৌধুরী, সীতাকুণ্ড পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সদস্য সচিব ছালেহ আহম্মদ ছলু, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইউসুফ নিজামী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহের উদ্দীন আশরাফ, মুরাদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান হিরো, সৈয়দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী এনামুল বারী, সাধারণ সম্পাদক এড. আইনুল কামাল, বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মাসুম, অহিদুল ইসলাম চৌধুরী শরিফ, সাবেক ছাত্রনেতা বখতিয়ার উদ্দিন, আকবরশাহ্ থানা বিএনপির সদস্য সচিব মাঈনুদ্দিন চৌধুরী মইনু, উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক রফিক উদ্দিন চৌধুরী, সদস্য সচিব মোঃ সেলিম উদ্দিন, উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক রেহান উদ্দিন প্রধান, সদস্য সচিব মাহবুবুল আলম, সখিনা বেগম, মুক্তিযোদ্ধা আবুল মনছুর, মহরম আলী, বদিউল আলম বদরুল, এড. রওশন আরা, নাজমুন নাহার নেলী, নুরুল আনোয়ার, নুরুদ্দিন মোঃ জাহাঙ্গীর, মাওলানা ইসমাঈল হোসেন, আনোয়ারুল আজিম মুকুল, নুরুল আজিম সবুজ, খ ম নাজিম উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, সাহাবুদ্দিন রাজু, নাজিমুদৌলা, জাহিদুল হাসান, সেলিম কমিশনার, ফেরদৌস আলম, উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আরঙ্গজেব মোস্তফা, লোকমান হোসেন, ইব্রাহীম, জুয়েল, অমলেন্দু কনক, জিয়া উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব কোরবান আলী সাহেদ, পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন সিরাজী, সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম বাবলুসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম থেকে শুরু করে পৌরসদরের ডি.টি রোড প্রদক্ষিণ করে উত্তর বাজার গিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয়।

ডিএস./

ট্যাগ :

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে বিজ্ঞান মেলা

সীতাকুণ্ডের রাজপথে যে দুর্বার আন্দোলন গড়ে উঠেছিল তার আসল কৃতিত্ব আমার নয়, বরং আপামর জনগণের- আসলাম চৌধুরী

প্রকাশিত : ০৪:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

আমি আপনাদের মত একজন জিয়া পরিবারের সদস্য। মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন ২০১৩/১৪ সালের বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সীতাকুণ্ডের রাজপথে যে অভূতপূর্ব ও দুর্বার আন্দোলন গড়ে উঠেছিল-যা সমগ্র বাংলাদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল-তার আসল কৃতিত্ব আমার নয়, বরং সীতাকুণ্ডের আপামর জনগণের।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে সীতাকুণ্ড পৌরসদরস্থ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত তার দ্বিতীয় কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম- ৪ আসনে জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত এমপি ও চেয়ারপার্সনের সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব মোঃ আসলাম চৌধুরী এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেও আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছি। সীতাকুণ্ডবাসীকে নিয়ে দুর্বার আন্দোলনের ফলে সংসদে শেখ হাসিনা আমার নাম ধরে একাধিকবার বলেছেন, এই আন্দোলন আসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে জোরালো হচ্ছে। আন্দোলন দমাতে আমাকে দীর্ঘ সময় কারাগারে আটকে রাখা হয়েছিল।” তবে দমে যায়নি কারাগারে থেকেও সংগ্রাম চালিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, “কারাগারে থেকে জামায়াতে ইসলামীসহ যারা স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাদের কারাগার থেকে মুক্ত করার ব্যবস্থা করেছি।”

তিনি বলেন, চরম প্রতিকূলতা ও দমন-পীড়নের মধ্যেও সীতাকুণ্ডের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসে যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে। জনগণের এই ঐক্য ও ত্যাগই আন্দোলনের মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। আমাদের আন্দোলন কিন্তু এখনো শেষ হয়নি কারণ স্বৈরাচারীরা ভিন্ন কৌশলে গুপ্ত নামক একটি দলের আশ্রয় প্রশ্রয়ে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে জিয়া পরিবার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। সুতরাং যতদিন এই রাষ্ট্র ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হবে ততদিন আমরা তথা এই সীতাকুণ্ডের মানুষ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো ইনশাহআল্লাহ।”

নির্বাচনের পর তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরূপ আচরণ নিয়ে আসলাম চৌধুরী বলেন, জামায়াতের প্রার্থী তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের পর কোনো এক দিক থেকে অর্থের জোগান পেয়ে তা আবার চালু করেছেন। তবে কীভাবে বা কার মাধ্যমে ওই অর্থের জোগান দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

তিনি বলেন, জামায়াতের প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে, আবার মামলা উইথড্রও করেছে। আবার কোন দিক থেকে অর্থের যোগান পেয়ে মামলা রি-কল করেছে। এর চেয়ে বেশি কিছু আর বলতে চাই না। তবে প্রতিপক্ষের প্রতি কোনো ধরনের বিরূপ আচরণ না করার কথা জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, তবুও আমরা কারো প্রতি বিরূপ আচরণ করতে চাই না। কোনো বিরোধী দলীয় নেতাকে জেলে পুরানোর জন্য প্রশাসনকে কুপরামর্শ দিই না। সামনের দিনগুলোতেও দেব না।

জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, আপনারা যতই আহাজারি করেন, বিনা ভোটে এমপি হওয়ার সেই শখ কখনও পূরণ হবে না। জনগণের রায় আপনারা পেয়েছেন। জনগণের রায়কে শ্রদ্ধা করতে শিখুন। পিছনের দরজা দিয়ে জনগণের কাজ করা যায় না।

চট্টগ্রাম-৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচনের পরও আলোচনায় রয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী এ আসন থেকে বিজয়ী হন। তবে পরে তার প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয় এবং এখনও পর্যন্ত তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।

অনুষ্ঠানে নিজের ঋণের প্রসঙ্গও তোলে আসলাম চৌধুরী বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার মেয়ের একটি পোস্ট দেশ-বিদেশে ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে সে লিখেছিল, ‘তার বাবা (আসলাম চৌধুরি) যদি তিন বছর সময় পাই, সব ঋণ শোধ করে দেব।’ তাই আমার প্রত্যাশা, দুই বছর অতিবাহিত হয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য গুছিয়ে সব ঋণ শোধ করে দিতে পারব।”

এ সময় তিনি শীঘ্রই আইনি জটিলতা কাটিয়ে সীতাকুণ্ডকে সারাদেশে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে দাঁড় করাতে চান।

উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদর, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জহুরুল আলম জহুর, যুগ্ম-আহ্বায়ক সালামত উল্ল্যাহ, সদস্য সচিব মোঃ মোরছালিন, যুগ্ম-সদস্য সচিব ফজলুল করিম চৌধুরী, সীতাকুণ্ড পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সদস্য সচিব ছালেহ আহম্মদ ছলু, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইউসুফ নিজামী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহের উদ্দীন আশরাফ, মুরাদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান হিরো, সৈয়দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী এনামুল বারী, সাধারণ সম্পাদক এড. আইনুল কামাল, বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মাসুম, অহিদুল ইসলাম চৌধুরী শরিফ, সাবেক ছাত্রনেতা বখতিয়ার উদ্দিন, আকবরশাহ্ থানা বিএনপির সদস্য সচিব মাঈনুদ্দিন চৌধুরী মইনু, উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক রফিক উদ্দিন চৌধুরী, সদস্য সচিব মোঃ সেলিম উদ্দিন, উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক রেহান উদ্দিন প্রধান, সদস্য সচিব মাহবুবুল আলম, সখিনা বেগম, মুক্তিযোদ্ধা আবুল মনছুর, মহরম আলী, বদিউল আলম বদরুল, এড. রওশন আরা, নাজমুন নাহার নেলী, নুরুল আনোয়ার, নুরুদ্দিন মোঃ জাহাঙ্গীর, মাওলানা ইসমাঈল হোসেন, আনোয়ারুল আজিম মুকুল, নুরুল আজিম সবুজ, খ ম নাজিম উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, সাহাবুদ্দিন রাজু, নাজিমুদৌলা, জাহিদুল হাসান, সেলিম কমিশনার, ফেরদৌস আলম, উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আরঙ্গজেব মোস্তফা, লোকমান হোসেন, ইব্রাহীম, জুয়েল, অমলেন্দু কনক, জিয়া উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব কোরবান আলী সাহেদ, পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন সিরাজী, সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম বাবলুসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম থেকে শুরু করে পৌরসদরের ডি.টি রোড প্রদক্ষিণ করে উত্তর বাজার গিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয়।

ডিএস./